হবিগঞ্জ ০৫:৫১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo হবিগঞ্জে সেরা গুণী শিক্ষক জহুর চান বিবি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ আল মামুন Logo হবিগঞ্জ জেলা পরিষদ প্রশাসক আহমেদ আলী মুকিবকে রাজসিক সংবর্ধনা দিলেন সৈয়দ মুশফিক আহমেদ Logo চুনারুঘাটে অবৈধ মাটি কাটায় এক্সক্যাভেটর ভাঙচুর, তেল বিক্রেতাকে জরিমানা Logo কুলাউড়ায় কলেজ পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক নির্বাচিত মাজহারুল ইসলাম কুলাউড়া Logo চুনারুঘাটে চা শ্রমিকদের রেইনকোট, হতদরিদ্রদের ঢেউটিন ও শিক্ষার্থীদের হুইলচেয়ার দিলেন এমপি Logo চুনারুঘাটে দেড় কেজি গাঁজাসহ আটক, পুলিশ আসার আগেই পালালেন যুবক Logo চুনারুঘাটের হাজী আলিম উল্লাহ সিনিয়র আলিম মাদ্রাসায় এডহক কমিটি সভাপতি হলেন সাজিদ Logo শায়েস্তাগঞ্জে নাটকের মৌলিক বিষয়ে তিন দিনব্যাপী নাট্য কর্মশালা Logo চুনারুঘাটের রাজার বাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা Logo শিক্ষার্থীদের পরিবহন সুবিধায় হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে বাস সেবা চালু

চা শ্রমিকদের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছি, মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই আমার দায়িত্ব—এমপি সৈয়দ মোঃ ফয়সল

হবিগঞ্জ-৪ (মাধবপুর-চুনারুঘাট) আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ মোঃ ফয়সল বলেছেন, মানুষের কল্যাণ ও মুখে হাসি ফোটানোই তার পবিত্র দায়িত্ব। তিনি বলেন, মানুষের সেবার মধ্য দিয়েই আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা সম্ভব।

মঙ্গলবার দুপুরে চুনারুঘাট উপজেলার চাঁনপুর চা বাগানে চা শ্রমিকদের মাঝে ছাগলসহ বিভিন্ন উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চুনারুঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গালিব চৌধুরী।

এমপি সৈয়দ মোঃ ফয়সল বলেন, চা বাগানের শ্রমিক ও সনাতন সম্প্রদায়ের মানুষের প্রতি তিনি চিরকৃতজ্ঞ। তিনি বলেন, “গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সকল বাধা উপেক্ষা করে আপনারা বিএনপিকে হবিগঞ্জ-৪ আসন উপহার দিয়েছেন। এখন থেকে চা বাগানের মানুষের সঙ্গে আমাদের কোনো বিভেদ নেই, আমরা সবাই একটি পরিবার।”

তিনি আরও বলেন, জাতীয় সংসদে তিনি চা শ্রমিকদের ভূমি অধিকারসহ বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেছেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনের আগে যে ইশতেহার ঘোষণা করেছিলেন, তা ধীরে ধীরে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। সাধারণ মানুষের কল্যাণে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, হেলথ কার্ড, খাল খননসহ বিভিন্ন জনবান্ধব কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সায়হাম কটন মিলসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ বলেন, চা বাগানের মানুষের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও আবাসন নিশ্চিতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে মূলধারায় নিয়ে আসাই তাদের লক্ষ্য।

বিশেষ অতিথি সৈয়দ শাফকাত আহমেদ বলেন, চা শ্রমিকদের সন্তানদের শিক্ষার সুযোগ বৃদ্ধি, নিরাপদ পানি সরবরাহ ও কর্মসংস্থানের পরিবেশ নিশ্চিত করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে অনেক বাগানে টিউবওয়েল স্থাপন করা হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে আরও উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দ লিয়াকত হাসান, সাবেক মেয়র নাজিম উদ্দিন শামসু, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম, বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নৃপেন পাল, শ্রমিক নেতা উজ্জ্বল কুমার দাস ও ভজন ভৌমিক।

সভায় শ্রমিক নেতারা জানান, সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের ফলে চা বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানের উন্নয়ন হচ্ছে। গত তিন মাসে ১৭টি মন্দিরে অনুদান প্রদান, অসহায় মানুষের মধ্যে আর্থিক সহায়তা, শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি, বাইসাইকেল বিতরণ ও ঘর নির্মাণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এছাড়া চা বাগানে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহে নতুন টিউবওয়েল স্থাপন করা হচ্ছে।

তারা আরও বলেন, আগে সহায়তা কার্যক্রমে স্বচ্ছতার অভাব থাকলেও বর্তমানে স্বচ্ছতার ভিত্তিতে সুবিধাভোগীদের মধ্যে সহায়তা বিতরণ করা হচ্ছে। এমপি সৈয়দ মোঃ ফয়সলের প্রচেষ্টায় আগামীতে চা বাগানের সব নাগরিক সরকারি সুযোগ-সুবিধার আওতায় আসবেন বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তারা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

খন্দকার আলাউদ্দিন

আপনাদের চারপাশে ঘটে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, অনিয়ম, দুর্নীতি, অপরাধ, জনদুর্ভোগ, উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ও সম্ভাবনার সংবাদ আমাদের জানান।
জনপ্রিয় সংবাদ

হবিগঞ্জে সেরা গুণী শিক্ষক জহুর চান বিবি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ আল মামুন

চা শ্রমিকদের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছি, মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই আমার দায়িত্ব—এমপি সৈয়দ মোঃ ফয়সল

আপডেট সময় ০৮:২০:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

হবিগঞ্জ-৪ (মাধবপুর-চুনারুঘাট) আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ মোঃ ফয়সল বলেছেন, মানুষের কল্যাণ ও মুখে হাসি ফোটানোই তার পবিত্র দায়িত্ব। তিনি বলেন, মানুষের সেবার মধ্য দিয়েই আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা সম্ভব।

মঙ্গলবার দুপুরে চুনারুঘাট উপজেলার চাঁনপুর চা বাগানে চা শ্রমিকদের মাঝে ছাগলসহ বিভিন্ন উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চুনারুঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গালিব চৌধুরী।

এমপি সৈয়দ মোঃ ফয়সল বলেন, চা বাগানের শ্রমিক ও সনাতন সম্প্রদায়ের মানুষের প্রতি তিনি চিরকৃতজ্ঞ। তিনি বলেন, “গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সকল বাধা উপেক্ষা করে আপনারা বিএনপিকে হবিগঞ্জ-৪ আসন উপহার দিয়েছেন। এখন থেকে চা বাগানের মানুষের সঙ্গে আমাদের কোনো বিভেদ নেই, আমরা সবাই একটি পরিবার।”

তিনি আরও বলেন, জাতীয় সংসদে তিনি চা শ্রমিকদের ভূমি অধিকারসহ বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেছেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনের আগে যে ইশতেহার ঘোষণা করেছিলেন, তা ধীরে ধীরে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। সাধারণ মানুষের কল্যাণে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, হেলথ কার্ড, খাল খননসহ বিভিন্ন জনবান্ধব কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সায়হাম কটন মিলসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ বলেন, চা বাগানের মানুষের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও আবাসন নিশ্চিতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে মূলধারায় নিয়ে আসাই তাদের লক্ষ্য।

বিশেষ অতিথি সৈয়দ শাফকাত আহমেদ বলেন, চা শ্রমিকদের সন্তানদের শিক্ষার সুযোগ বৃদ্ধি, নিরাপদ পানি সরবরাহ ও কর্মসংস্থানের পরিবেশ নিশ্চিত করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে অনেক বাগানে টিউবওয়েল স্থাপন করা হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে আরও উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দ লিয়াকত হাসান, সাবেক মেয়র নাজিম উদ্দিন শামসু, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম, বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নৃপেন পাল, শ্রমিক নেতা উজ্জ্বল কুমার দাস ও ভজন ভৌমিক।

সভায় শ্রমিক নেতারা জানান, সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের ফলে চা বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানের উন্নয়ন হচ্ছে। গত তিন মাসে ১৭টি মন্দিরে অনুদান প্রদান, অসহায় মানুষের মধ্যে আর্থিক সহায়তা, শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি, বাইসাইকেল বিতরণ ও ঘর নির্মাণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এছাড়া চা বাগানে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহে নতুন টিউবওয়েল স্থাপন করা হচ্ছে।

তারা আরও বলেন, আগে সহায়তা কার্যক্রমে স্বচ্ছতার অভাব থাকলেও বর্তমানে স্বচ্ছতার ভিত্তিতে সুবিধাভোগীদের মধ্যে সহায়তা বিতরণ করা হচ্ছে। এমপি সৈয়দ মোঃ ফয়সলের প্রচেষ্টায় আগামীতে চা বাগানের সব নাগরিক সরকারি সুযোগ-সুবিধার আওতায় আসবেন বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তারা।