হবিগঞ্জ ১২:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সুধিজনদের সম্মানে বিশিষ্ট সমাজসেবক এমএ মালেক জাপানীর উদ্যোগে ইফতার মাহফিল Logo আলোকিত হবিগঞ্জ ডটকমে স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে নিয়োগ পেলেন রমজান তালুকদার Logo চুনারুঘাটের ইকরতলী গাউছিয়া সুন্নিয়া দাখিল মাদ্রাসায় দারুল কেরাতের শিক্ষার্থীদের পুরস্কার বিতরণ Logo কাউকে দুর্নীতি করতে দেব না : হবিগঞ্জে বুচিনালা খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধনে হুইপ জি কে গউছ Logo ইঞ্জিনিয়ার টিটন দাশের বিরুদ্ধে ভেকু বাণিজ্য ও সরকারি সম্পদ চুক্তি ছাড়া হস্তান্তরের অভিযোগ Logo ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যুৎ লাইন, চুনারুঘাটে পল্লী বিদ্যুতের সরবরাহ বন্ধ Logo চুনারুঘাট উপজেলা কাঠ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির ৫১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন Logo দেশের ৪২ জেলা পরিষদে নতুন প্রশাসক নিয়োগ Logo গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকে’র সাউথ ইস্ট রিজিওনের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল Logo চুনারুঘাটে ভোরের আলো স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠনের উদ্যোগে ৫শ’ প্যাকেট ইফতারি বিতরণ
প্রথম নারী ইউপি চেয়ারম্যানের পাশাপাশি তিনি দেশের প্রথম কোন নারী দুটি ইউনিয়ন পরিষদেরের চেয়ারম্যান

দেশের প্রথম নারী ইউপি চেয়ারম্যান শামছুন নাহার চৌধুরীর মৃত্যু 

চুনারুঘাটের দেওরগাছ ইউনিয়ন পরিষদের দুই বারের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান শামসুন্নাহার চৌধুরী (৬৩) মারা গেছেন।
আজ শুক্রবার আছর নামাজের পর জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। এর আগে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে ঢাকার বারডেম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
মৃত্যুকালে তিনি স্বামী, সন্তানসহ আত্মীয়স্বজন ছাড়াও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
মৃত্যুর আগে দীর্ঘদিন সিঙ্গাপুর, ভারতসহ বিভিন্ন জায়গায় চিকিৎসা নিয়েছেন তিনি। শামছুন নাহার চুনারুঘাট উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আবু তাহেরের স্ত্রী ।
এছাড়াও তিনি চুনারুঘাট উপজেলার মিরাশী ইউপির একবার ও দেওরগাছ ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ২ বার চেয়ারম্যান নির্বাহিত হন।
প্রথম স্বামী ইউপি চেয়ারম্যান মরহুম চুনু চৌধুরীর মৃত্যুর পর ১৯৮৮ সালে প্রথমে মিরাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। যাহা সারা দেশে তখন তিনিই ছিলেন প্রথম নারী ইউপি চেয়ারম্যান। পাশাপাশি তিনি দেশের প্রথম কোন নারী দুটি ইউনিয়ন পরিষদের তিনবার চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করে গেছেন।
সেই থেকে রাজনীতিতে শুরু করেন। ১৯৯৩ সালে তিনি জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হন।
শামছুন্নাহার চৌধুরী ৩ বার চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি নানা সামাজিক দায়িত্ব পালন করেছেন।
পেয়েছেন অতিশ দীপঙ্কর জয়িতাসহ নানা পুরস্কার। হয়েছেন জেলার শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান। কাজ করেছেন নারী উন্নয়নে।
তার মৃত্যুতে সুশীল সমাজ, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন শোক প্রকাশ করেছে।
আপলোডকারীর তথ্য

খন্দকার আলাউদ্দিন

হ্যালো, আমি খন্দকার আলাউদ্দিন, আপনাদের চার পাশের সংবাদ দিয়ে আমাদের সহযোগিতা করুন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সুধিজনদের সম্মানে বিশিষ্ট সমাজসেবক এমএ মালেক জাপানীর উদ্যোগে ইফতার মাহফিল

প্রথম নারী ইউপি চেয়ারম্যানের পাশাপাশি তিনি দেশের প্রথম কোন নারী দুটি ইউনিয়ন পরিষদেরের চেয়ারম্যান

দেশের প্রথম নারী ইউপি চেয়ারম্যান শামছুন নাহার চৌধুরীর মৃত্যু 

আপডেট সময় ১১:৪৩:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৫
চুনারুঘাটের দেওরগাছ ইউনিয়ন পরিষদের দুই বারের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান শামসুন্নাহার চৌধুরী (৬৩) মারা গেছেন।
আজ শুক্রবার আছর নামাজের পর জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। এর আগে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে ঢাকার বারডেম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
মৃত্যুকালে তিনি স্বামী, সন্তানসহ আত্মীয়স্বজন ছাড়াও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
মৃত্যুর আগে দীর্ঘদিন সিঙ্গাপুর, ভারতসহ বিভিন্ন জায়গায় চিকিৎসা নিয়েছেন তিনি। শামছুন নাহার চুনারুঘাট উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আবু তাহেরের স্ত্রী ।
এছাড়াও তিনি চুনারুঘাট উপজেলার মিরাশী ইউপির একবার ও দেওরগাছ ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ২ বার চেয়ারম্যান নির্বাহিত হন।
প্রথম স্বামী ইউপি চেয়ারম্যান মরহুম চুনু চৌধুরীর মৃত্যুর পর ১৯৮৮ সালে প্রথমে মিরাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। যাহা সারা দেশে তখন তিনিই ছিলেন প্রথম নারী ইউপি চেয়ারম্যান। পাশাপাশি তিনি দেশের প্রথম কোন নারী দুটি ইউনিয়ন পরিষদের তিনবার চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করে গেছেন।
সেই থেকে রাজনীতিতে শুরু করেন। ১৯৯৩ সালে তিনি জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হন।
শামছুন্নাহার চৌধুরী ৩ বার চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি নানা সামাজিক দায়িত্ব পালন করেছেন।
পেয়েছেন অতিশ দীপঙ্কর জয়িতাসহ নানা পুরস্কার। হয়েছেন জেলার শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান। কাজ করেছেন নারী উন্নয়নে।
তার মৃত্যুতে সুশীল সমাজ, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন শোক প্রকাশ করেছে।