হবিগঞ্জ ০৯:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo শানখলা ইউনিয়নে জনমুখী উন্নয়নের রোল মডেল প্যানেল চেয়ারম্যান ইকবাল মেম্বার Logo হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ পালিত Logo গ্রেফতারি পরোয়ানা তামিলে সিলেট রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ চুনারুঘাট থানার এএসআই শরিফ হোসেন Logo জাপানে এস.এস.ডাব্লিউ কর্মসূচির আওতায় নারী কর্মী নিয়োগের সুযোগ Logo পরিচ্ছন্ন রাজনীতির প্রতীক এমপি ফয়সলকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান এলাকাবাসী Logo চুনারুঘাট থানার নতুন ওসি মো. সাইফুল ইসলামের যোগদান Logo চুনারুঘাটে খোয়াই নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলন, হুমকিতে অর্ধশত গ্রাম Logo জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশনের দপ্তর সম্পাদক পদে টানা তৃতীয়বার নির্বাচিত শফিকুল ইসলাম সজল Logo কাফনের কাপড় পাঠিয়ে বিএনপি নেতাকে হত্যার হুমকি, থানায় জিডি Logo সংবেদনশীল মানুষ হতে হলে বই পড়তে হবে: যুগ্ম সচিব মোস্তফা মোরশেদ
প্রথম নারী ইউপি চেয়ারম্যানের পাশাপাশি তিনি দেশের প্রথম কোন নারী দুটি ইউনিয়ন পরিষদেরের চেয়ারম্যান

দেশের প্রথম নারী ইউপি চেয়ারম্যান শামছুন নাহার চৌধুরীর মৃত্যু 

চুনারুঘাটের দেওরগাছ ইউনিয়ন পরিষদের দুই বারের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান শামসুন্নাহার চৌধুরী (৬৩) মারা গেছেন।
আজ শুক্রবার আছর নামাজের পর জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। এর আগে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে ঢাকার বারডেম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
মৃত্যুকালে তিনি স্বামী, সন্তানসহ আত্মীয়স্বজন ছাড়াও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
মৃত্যুর আগে দীর্ঘদিন সিঙ্গাপুর, ভারতসহ বিভিন্ন জায়গায় চিকিৎসা নিয়েছেন তিনি। শামছুন নাহার চুনারুঘাট উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আবু তাহেরের স্ত্রী ।
এছাড়াও তিনি চুনারুঘাট উপজেলার মিরাশী ইউপির একবার ও দেওরগাছ ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ২ বার চেয়ারম্যান নির্বাহিত হন।
প্রথম স্বামী ইউপি চেয়ারম্যান মরহুম চুনু চৌধুরীর মৃত্যুর পর ১৯৮৮ সালে প্রথমে মিরাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। যাহা সারা দেশে তখন তিনিই ছিলেন প্রথম নারী ইউপি চেয়ারম্যান। পাশাপাশি তিনি দেশের প্রথম কোন নারী দুটি ইউনিয়ন পরিষদের তিনবার চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করে গেছেন।
সেই থেকে রাজনীতিতে শুরু করেন। ১৯৯৩ সালে তিনি জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হন।
শামছুন্নাহার চৌধুরী ৩ বার চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি নানা সামাজিক দায়িত্ব পালন করেছেন।
পেয়েছেন অতিশ দীপঙ্কর জয়িতাসহ নানা পুরস্কার। হয়েছেন জেলার শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান। কাজ করেছেন নারী উন্নয়নে।
তার মৃত্যুতে সুশীল সমাজ, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন শোক প্রকাশ করেছে।
আপলোডকারীর তথ্য

খন্দকার আলাউদ্দিন

হ্যালো, আমি খন্দকার আলাউদ্দিন, আপনাদের চার পাশের সংবাদ দিয়ে আমাদের সহযোগিতা করুন।
জনপ্রিয় সংবাদ

শানখলা ইউনিয়নে জনমুখী উন্নয়নের রোল মডেল প্যানেল চেয়ারম্যান ইকবাল মেম্বার

প্রথম নারী ইউপি চেয়ারম্যানের পাশাপাশি তিনি দেশের প্রথম কোন নারী দুটি ইউনিয়ন পরিষদেরের চেয়ারম্যান

দেশের প্রথম নারী ইউপি চেয়ারম্যান শামছুন নাহার চৌধুরীর মৃত্যু 

আপডেট সময় ১১:৪৩:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৫
চুনারুঘাটের দেওরগাছ ইউনিয়ন পরিষদের দুই বারের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান শামসুন্নাহার চৌধুরী (৬৩) মারা গেছেন।
আজ শুক্রবার আছর নামাজের পর জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। এর আগে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে ঢাকার বারডেম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
মৃত্যুকালে তিনি স্বামী, সন্তানসহ আত্মীয়স্বজন ছাড়াও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
মৃত্যুর আগে দীর্ঘদিন সিঙ্গাপুর, ভারতসহ বিভিন্ন জায়গায় চিকিৎসা নিয়েছেন তিনি। শামছুন নাহার চুনারুঘাট উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আবু তাহেরের স্ত্রী ।
এছাড়াও তিনি চুনারুঘাট উপজেলার মিরাশী ইউপির একবার ও দেওরগাছ ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ২ বার চেয়ারম্যান নির্বাহিত হন।
প্রথম স্বামী ইউপি চেয়ারম্যান মরহুম চুনু চৌধুরীর মৃত্যুর পর ১৯৮৮ সালে প্রথমে মিরাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। যাহা সারা দেশে তখন তিনিই ছিলেন প্রথম নারী ইউপি চেয়ারম্যান। পাশাপাশি তিনি দেশের প্রথম কোন নারী দুটি ইউনিয়ন পরিষদের তিনবার চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করে গেছেন।
সেই থেকে রাজনীতিতে শুরু করেন। ১৯৯৩ সালে তিনি জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হন।
শামছুন্নাহার চৌধুরী ৩ বার চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি নানা সামাজিক দায়িত্ব পালন করেছেন।
পেয়েছেন অতিশ দীপঙ্কর জয়িতাসহ নানা পুরস্কার। হয়েছেন জেলার শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান। কাজ করেছেন নারী উন্নয়নে।
তার মৃত্যুতে সুশীল সমাজ, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন শোক প্রকাশ করেছে।