হবিগঞ্জ ১২:৩১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo চুনারুঘাটের মেয়ে দীপ্তিতা দাশ হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন Logo হবিগঞ্জ সদর উপজেলায় খাদ্যবান্ধব চাল বিতরণ তদারকিতে খাদ্য বিভাগ Logo চুনারুঘাটে মাদকবিরোধী অভিযানে যুবকের ৬ মাসের কারাদণ্ড Logo হবিগঞ্জ সদর উপজেলার আনন্দপুর বাজারের চাল বিক্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন করেন ইউএনও Logo চুনারুঘাটে যৌথ অভিযানে ৭ অবৈধ করাতকল সিলগালা Logo ৫০০ টাকা মজুরির দাবিতে চুনারুঘাটে চা শ্রমিকদের আন্দোলন Logo চুনারুঘাটের সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে যুবক নিহত Logo ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে বিএনপি নেতাসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা Logo চুনারুঘাট থানায় জনবান্ধব পরিবেশ তৈরির উদ্যোগ ওসি সাইফুল ইসলামের Logo বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্ট চুনারুঘাট উপজেলা ও পৌর শাখার আহবায়ক কমিটি অনুমোদন

মাধবপুরে হাই স্কুলের সরকারি বই বিক্রির অভিযোগ উঠেছে প্রধান শিক্ষক-সভাপতি ‍বিরুদ্ধে

মাধবপুরের জগদীশপুর যোগেশ চন্দ্র হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রতিষ্ঠানটির সভাপতির যোগসাজশে গত কয়েক বছর ধরে অবিলিকৃত বিপুলসংখ্যক বই বিক্রি করে দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে গভর্নিং বডির কয়েকজন সদস্য এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে মৌখিকভাবে অভিযোগ করেছেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনজুর আহ্সান মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আবুল হোসেনকে বিষয়টি খতিয়ে দেখার দায়িত্ব দিয়েছেন।

জানা গেছে, গত কয়েক বছর ধরে শিক্ষার্থীদের দেওয়ার জন্য সরকারিভাবে এসব বই অবিলিকৃত থাকায় প্রতিষ্ঠানটির একটি কক্ষে সংরক্ষিত ছিল। সম্প্রতি প্রতিষ্ঠান প্রধান নুরুল্লাহ ভুইয়া ও গভর্নিং বডির সভাপতি নাসির খান গোপনে এসব বই বিক্রি করে দেন।

অভিযোগকারীরা বলছেন, গত ৬ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠানটির কর্মচারী আলম মিয়া কয়েকজনের সহযোগিতায় ২টি পিকআপভ্যান ভর্তি করে অজ্ঞাত এক ক্রেতা এসব বই কিনে নিয়ে গেছেন। প্রায় ৩ লাখ টাকা মূল্যে এসব বই বিক্রি করেছেন বলেও অভিযোগকারীরা জানিয়েছেন।

জগদীশপুর যোগেশ চন্দ্র হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের একাধিক শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বই বিক্রির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে কত টাকার বই বিক্রি করা হয়েছে বিষয়টি তারা ঠিক জানেন না বলেও জানিয়েছেন।

তবে প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি নাসির খানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আগের কমিটির রেজুলেশন অনুযায়ী কক্ষ পরিষ্কার করার জন্য করোনাকালীন শিক্ষার্থীদের জমা দেওয়া অ্যাসাইনমেন্টের কাগজপত্র বিক্রি করেছেন। একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এ সংক্রান্ত কুৎসা রটনা করছেন বলেও তিনি দাবি করেছেন।

ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নুরুল্লাহ ভুইয়া জানান, বই বিক্রির প্রশ্নই আসে না। আগের কমিটির রেজুলেশন অনুযায়ী কিছু কাগজপত্র বিক্রি করেছি। কাগজপত্র বিক্রি বাবদ ৭০ হাজার টাকা তার প্রতিষ্ঠানের আয় হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। রেজুলেশন কপিটা দেখতে চাইলে তিনি তথ্য অধিকার আইনে আবেদন জমা দিতে বলেন।

মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনজুর আহ্সান জানান, এ সংক্রান্ত একটি মৌখিক অভিযোগ পাওয়ার পর মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে বিষয়টি দেখার জন্য দায়িত্ব দিয়েছি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

খন্দকার আলাউদ্দিন

আপনাদের চারপাশে ঘটে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, অনিয়ম, দুর্নীতি, অপরাধ, জনদুর্ভোগ, উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ও সম্ভাবনার সংবাদ আমাদের জানান।

চুনারুঘাটের মেয়ে দীপ্তিতা দাশ হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন

মাধবপুরে হাই স্কুলের সরকারি বই বিক্রির অভিযোগ উঠেছে প্রধান শিক্ষক-সভাপতি ‍বিরুদ্ধে

আপডেট সময় ১০:৪১:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২২

মাধবপুরের জগদীশপুর যোগেশ চন্দ্র হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রতিষ্ঠানটির সভাপতির যোগসাজশে গত কয়েক বছর ধরে অবিলিকৃত বিপুলসংখ্যক বই বিক্রি করে দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে গভর্নিং বডির কয়েকজন সদস্য এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে মৌখিকভাবে অভিযোগ করেছেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনজুর আহ্সান মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আবুল হোসেনকে বিষয়টি খতিয়ে দেখার দায়িত্ব দিয়েছেন।

জানা গেছে, গত কয়েক বছর ধরে শিক্ষার্থীদের দেওয়ার জন্য সরকারিভাবে এসব বই অবিলিকৃত থাকায় প্রতিষ্ঠানটির একটি কক্ষে সংরক্ষিত ছিল। সম্প্রতি প্রতিষ্ঠান প্রধান নুরুল্লাহ ভুইয়া ও গভর্নিং বডির সভাপতি নাসির খান গোপনে এসব বই বিক্রি করে দেন।

অভিযোগকারীরা বলছেন, গত ৬ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠানটির কর্মচারী আলম মিয়া কয়েকজনের সহযোগিতায় ২টি পিকআপভ্যান ভর্তি করে অজ্ঞাত এক ক্রেতা এসব বই কিনে নিয়ে গেছেন। প্রায় ৩ লাখ টাকা মূল্যে এসব বই বিক্রি করেছেন বলেও অভিযোগকারীরা জানিয়েছেন।

জগদীশপুর যোগেশ চন্দ্র হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের একাধিক শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বই বিক্রির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে কত টাকার বই বিক্রি করা হয়েছে বিষয়টি তারা ঠিক জানেন না বলেও জানিয়েছেন।

তবে প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি নাসির খানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আগের কমিটির রেজুলেশন অনুযায়ী কক্ষ পরিষ্কার করার জন্য করোনাকালীন শিক্ষার্থীদের জমা দেওয়া অ্যাসাইনমেন্টের কাগজপত্র বিক্রি করেছেন। একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এ সংক্রান্ত কুৎসা রটনা করছেন বলেও তিনি দাবি করেছেন।

ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নুরুল্লাহ ভুইয়া জানান, বই বিক্রির প্রশ্নই আসে না। আগের কমিটির রেজুলেশন অনুযায়ী কিছু কাগজপত্র বিক্রি করেছি। কাগজপত্র বিক্রি বাবদ ৭০ হাজার টাকা তার প্রতিষ্ঠানের আয় হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। রেজুলেশন কপিটা দেখতে চাইলে তিনি তথ্য অধিকার আইনে আবেদন জমা দিতে বলেন।

মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনজুর আহ্সান জানান, এ সংক্রান্ত একটি মৌখিক অভিযোগ পাওয়ার পর মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে বিষয়টি দেখার জন্য দায়িত্ব দিয়েছি।