হবিগঞ্জ ১২:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo কুলাউড়ায় কলেজ পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক নির্বাচিত মাজহারুল ইসলাম কুলাউড়া Logo চুনারুঘাটে চা শ্রমিকদের রেইনকোট, হতদরিদ্রদের ঢেউটিন ও শিক্ষার্থীদের হুইলচেয়ার দিলেন এমপি Logo চুনারুঘাটে দেড় কেজি গাঁজাসহ আটক, পুলিশ আসার আগেই পালালেন যুবক Logo চুনারুঘাটের হাজী আলিম উল্লাহ সিনিয়র আলিম মাদ্রাসায় এডহক কমিটি সভাপতি হলেন সাজিদ Logo শায়েস্তাগঞ্জে নাটকের মৌলিক বিষয়ে তিন দিনব্যাপী নাট্য কর্মশালা Logo চুনারুঘাটের রাজার বাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা Logo শিক্ষার্থীদের পরিবহন সুবিধায় হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে বাস সেবা চালু Logo হুইলচেয়ারেই কাটে প্রধান শিক্ষক কল্যাণ কুমার দেবের জীবন Logo চুনারুঘাটে উলামা পরিষদের উদ্যোগে সীরাত মাহফিল ও হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা Logo চুনারুঘাটে প্রবাসী পরিবারের ওপর হামলার ঘটনায় ছায়েদ আলী সহ গ্রেপ্তার ৩

জাতীয় স্বার্থে নদী রক্ষা করতেই হবে : ড. মনজুর আহমেদ চৌধুরী

  • এসএম মিজানঃ
  • আপডেট সময় ০৭:৫১:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ এপ্রিল ২০২২
  • ৩৫৪ বার পড়া হয়েছে

ইলিশ সম্পদ রক্ষা, নদীর জীব বৈচিত্র্য রক্ষা, নদীর ভাঙ্গন রোধে চাঁদপুরে পদ্মা-মেঘনায় অবৈধ বালু উত্তোলন ও ব্যবসার সাথে সম্পৃক্ত নৌ-যান গুলোকে জব্দ করার নির্দেশ দিয়েছেন জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মনজুর আহমেদ চৌধুরী। সেই সঙ্গে অপকার্যের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা হিসেবে গ্রেপ্তারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ৩১ মার্চ ২০২২ পদ্মা-মেঘনা নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলন রোধে সরেজমিন পরিদর্শন কালে নির্দেশ দেন তিনি।

ড. মনজুর আহমেদ চৌধুরী বলেন, দেশের নদীগুলোতে ইলিশের যে অভয়ারণ্য রয়েছে তার মধ্যে একটি চাঁদপুরের মতলব উত্তরের ষাটনল থেকে চর আলেকজান্ডার পর্যন্ত ১০০ কিলোমিটার এলাকা। এর মধ্যে চাঁদপুরের নদী এলাকা রয়েছে ৭০ কিলোমিটার। এটি হচ্ছে ইলিশের সবচেয়ে বড় অভয়ারণ্য। মৎস্য বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন- এই এলাকায় অপরিকল্পিত বালু উত্তোলনের ফলে ইলিশের উৎপাদন কমে গেছে। সংশ্লিষ্টদের বক্তব্যগুলো শুনে পরিবেশ ও প্রতিবেশগত এবং আর্থসামাজিক ক্ষতির আর্থিক মূল্যমান নির্ধারণের সুপারিশ করেছে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন।

তিনি আরও বলেন, ইলিশ যদি একাবারে দিক পরিবর্তন করে ফেলে তাহলে আমরা ইলিশ থেকে বঞ্চিত হতে হবে এটি কোনভাবেই মেনে নেয়া যায় না। যার এ ধরনের অবৈধ কাজ করতে সহযোগিতা করে তারা জাতির শত্রু। অবিলম্বে নদী থেকে তাদেরকে বিতাড়িত করতে হবে। পুলিশ, নৌপুলিশ, কোস্টগার্ড, বিআইডব্লিউটিএ সহ সবার সহযোগিতা নিয়ে বালু ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্তদের বাল্কহেড জব্দ করতে হবে। বালুর সঙ্গে সম্পৃক্ত সেসব নৌযান রয়েছে সেগুলো সব জব্দ করার জন্য আমি জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দিয়েছি। তাদের লাইসেন্স আছে কি না সেগুলো পরীক্ষা করতে হবে। তারা অবৈধভাবে বালু তুলছিল না তাই তাদেরকে আইনানুয়ায়ী গ্রেপ্তার করার জন্য কমিশনের পক্ষ থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বিআইডব্লিউটিএ কে অ্যাকশন নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এখানে যেহেতু পরিবেশ বিঘিœত হয়েছিল তাই অধিদপ্তরকে পরিবেশ আদালত চালু করার নির্দেশ দিয়েছি। এটি করার জন্য তাদেরকে কোন অনুমতি নিতে হবে না। বর্তমানে জেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে কোস্ট গার্ড ও নৌপুলিশের অব্যাহত অভিযানের ফলে অবৈধ বালু খেকো ড্রেজারের হাত হতে এ অঞ্চল মুক্ত হয়েছে।

ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের ফিশারিজ ডিপার্টমেন্টের চেয়ারম্যান ড. মনিরুল ইসলাম বলেন যে, পদ্মা-মেঘনা নদীতে পরিবেশ ও প্রতিবেশের জন্য পদ্মা-মেঘনা ইলিশের গরমৎধঃরড়হ ংঢ়ধহিরহম, নৎববফরহম ক্ষেত্রে প্রায় ১০০কিমি জুড়ে বিস্তৃত। এরা প্লাংক্টন খেয়ে বেঁচে থাকে। এতে অসংখ্য ড্রেজারের মাঝে ইলিশ মাইগ্রেট করতে পারে না। নদীতে প্লাংক্টন লেভেল অভিলম্বে পরীক্ষা করা প্রয়োজন। অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ফলে পরিবেশ ও প্রতিবেশগত এবং আর্থসমাজিক ক্ষতির আর্থিক মূল্যমান নির্ধারণ করতে হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রতিবেশগত এবং আর্থসামাজিক ক্ষতির জন্য ব্যক্তি বা গোষ্ঠিদের বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণ আদায়ের মামলা দায়ের করবে। তফসিল এলাকার বাইরে বালু তোলা ও পরিবহন কার্যে নিয়োজিত ড্রেজার ও কার্গো জব্দ করতে হবে। পরিবেশ বিঘœ/নষ্ট করার জন্য পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ ও পরিবেশ সংরক্ষণ বিধিমালা ১৯৯৭ অনুযায়ী মামলা ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে আপরাধীদের আটক, কারাদন্ড, জরিমানা ইত্যাদি দন্ড প্রদান করতে হবে। নৌ-পথ ক্ষতি করা, নৌচলাচলে বিঘœ ঘটানো ইত্যাদি অপরাধের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।

এ ছাড়া সরেজমিন পরিদর্শনে উপস্থিত ছিলেন চাদপুরের জেলা প্রশাসক,ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের ফিশারিজ ডিপার্টমেন্টের চেয়ারম্যান ড. মনিরুল ইসলাম, প্রাণি বিজ্ঞান সমিতির সভাপতি জনাব খান হাবিবুর রহমান। পরিদর্শন কালে পানি উন্নয়ন বোর্ড, বিআইডব্লিউটিএ, পরিবেশ অধিদপ্তর, মৎস্য গবেষণা ইনিস্টিটিউট, মৎস্য অধিদপ্তর এর কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের জন্য কোস্ট গার্ড, নৌপুলিশ, জেলা পুলিশ, চাঁদপুর উপস্থিত ছিলেন। সার্বিক সমন্বয়ের দায়িত্বে ছিলেন জেলা প্রশাসন, চাঁদপুর ও জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের কর্মকর্তাবৃন্দ।

উল্লেখ্য গত ২২ মার্চ ২০২২ কমিশনের নির্দেশনায় নদীতে বালুখেকোদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। বর্তমানে জেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে কোস্ট গার্ড ও নৌপুলিশের অব্যাহত অভিযানের ফলে অবৈধ বালু খেকো ড্রেজারের হাত হতে এ অঞ্চল মুক্ত হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

খন্দকার আলাউদ্দিন

আপনাদের চারপাশে ঘটে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, অনিয়ম, দুর্নীতি, অপরাধ, জনদুর্ভোগ, উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ও সম্ভাবনার সংবাদ আমাদের জানান।
জনপ্রিয় সংবাদ

কুলাউড়ায় কলেজ পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক নির্বাচিত মাজহারুল ইসলাম কুলাউড়া

জাতীয় স্বার্থে নদী রক্ষা করতেই হবে : ড. মনজুর আহমেদ চৌধুরী

আপডেট সময় ০৭:৫১:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ এপ্রিল ২০২২

ইলিশ সম্পদ রক্ষা, নদীর জীব বৈচিত্র্য রক্ষা, নদীর ভাঙ্গন রোধে চাঁদপুরে পদ্মা-মেঘনায় অবৈধ বালু উত্তোলন ও ব্যবসার সাথে সম্পৃক্ত নৌ-যান গুলোকে জব্দ করার নির্দেশ দিয়েছেন জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মনজুর আহমেদ চৌধুরী। সেই সঙ্গে অপকার্যের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা হিসেবে গ্রেপ্তারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ৩১ মার্চ ২০২২ পদ্মা-মেঘনা নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলন রোধে সরেজমিন পরিদর্শন কালে নির্দেশ দেন তিনি।

ড. মনজুর আহমেদ চৌধুরী বলেন, দেশের নদীগুলোতে ইলিশের যে অভয়ারণ্য রয়েছে তার মধ্যে একটি চাঁদপুরের মতলব উত্তরের ষাটনল থেকে চর আলেকজান্ডার পর্যন্ত ১০০ কিলোমিটার এলাকা। এর মধ্যে চাঁদপুরের নদী এলাকা রয়েছে ৭০ কিলোমিটার। এটি হচ্ছে ইলিশের সবচেয়ে বড় অভয়ারণ্য। মৎস্য বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন- এই এলাকায় অপরিকল্পিত বালু উত্তোলনের ফলে ইলিশের উৎপাদন কমে গেছে। সংশ্লিষ্টদের বক্তব্যগুলো শুনে পরিবেশ ও প্রতিবেশগত এবং আর্থসামাজিক ক্ষতির আর্থিক মূল্যমান নির্ধারণের সুপারিশ করেছে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন।

তিনি আরও বলেন, ইলিশ যদি একাবারে দিক পরিবর্তন করে ফেলে তাহলে আমরা ইলিশ থেকে বঞ্চিত হতে হবে এটি কোনভাবেই মেনে নেয়া যায় না। যার এ ধরনের অবৈধ কাজ করতে সহযোগিতা করে তারা জাতির শত্রু। অবিলম্বে নদী থেকে তাদেরকে বিতাড়িত করতে হবে। পুলিশ, নৌপুলিশ, কোস্টগার্ড, বিআইডব্লিউটিএ সহ সবার সহযোগিতা নিয়ে বালু ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্তদের বাল্কহেড জব্দ করতে হবে। বালুর সঙ্গে সম্পৃক্ত সেসব নৌযান রয়েছে সেগুলো সব জব্দ করার জন্য আমি জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দিয়েছি। তাদের লাইসেন্স আছে কি না সেগুলো পরীক্ষা করতে হবে। তারা অবৈধভাবে বালু তুলছিল না তাই তাদেরকে আইনানুয়ায়ী গ্রেপ্তার করার জন্য কমিশনের পক্ষ থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বিআইডব্লিউটিএ কে অ্যাকশন নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এখানে যেহেতু পরিবেশ বিঘিœত হয়েছিল তাই অধিদপ্তরকে পরিবেশ আদালত চালু করার নির্দেশ দিয়েছি। এটি করার জন্য তাদেরকে কোন অনুমতি নিতে হবে না। বর্তমানে জেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে কোস্ট গার্ড ও নৌপুলিশের অব্যাহত অভিযানের ফলে অবৈধ বালু খেকো ড্রেজারের হাত হতে এ অঞ্চল মুক্ত হয়েছে।

ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের ফিশারিজ ডিপার্টমেন্টের চেয়ারম্যান ড. মনিরুল ইসলাম বলেন যে, পদ্মা-মেঘনা নদীতে পরিবেশ ও প্রতিবেশের জন্য পদ্মা-মেঘনা ইলিশের গরমৎধঃরড়হ ংঢ়ধহিরহম, নৎববফরহম ক্ষেত্রে প্রায় ১০০কিমি জুড়ে বিস্তৃত। এরা প্লাংক্টন খেয়ে বেঁচে থাকে। এতে অসংখ্য ড্রেজারের মাঝে ইলিশ মাইগ্রেট করতে পারে না। নদীতে প্লাংক্টন লেভেল অভিলম্বে পরীক্ষা করা প্রয়োজন। অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ফলে পরিবেশ ও প্রতিবেশগত এবং আর্থসমাজিক ক্ষতির আর্থিক মূল্যমান নির্ধারণ করতে হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রতিবেশগত এবং আর্থসামাজিক ক্ষতির জন্য ব্যক্তি বা গোষ্ঠিদের বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণ আদায়ের মামলা দায়ের করবে। তফসিল এলাকার বাইরে বালু তোলা ও পরিবহন কার্যে নিয়োজিত ড্রেজার ও কার্গো জব্দ করতে হবে। পরিবেশ বিঘœ/নষ্ট করার জন্য পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ ও পরিবেশ সংরক্ষণ বিধিমালা ১৯৯৭ অনুযায়ী মামলা ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে আপরাধীদের আটক, কারাদন্ড, জরিমানা ইত্যাদি দন্ড প্রদান করতে হবে। নৌ-পথ ক্ষতি করা, নৌচলাচলে বিঘœ ঘটানো ইত্যাদি অপরাধের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।

এ ছাড়া সরেজমিন পরিদর্শনে উপস্থিত ছিলেন চাদপুরের জেলা প্রশাসক,ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের ফিশারিজ ডিপার্টমেন্টের চেয়ারম্যান ড. মনিরুল ইসলাম, প্রাণি বিজ্ঞান সমিতির সভাপতি জনাব খান হাবিবুর রহমান। পরিদর্শন কালে পানি উন্নয়ন বোর্ড, বিআইডব্লিউটিএ, পরিবেশ অধিদপ্তর, মৎস্য গবেষণা ইনিস্টিটিউট, মৎস্য অধিদপ্তর এর কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের জন্য কোস্ট গার্ড, নৌপুলিশ, জেলা পুলিশ, চাঁদপুর উপস্থিত ছিলেন। সার্বিক সমন্বয়ের দায়িত্বে ছিলেন জেলা প্রশাসন, চাঁদপুর ও জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের কর্মকর্তাবৃন্দ।

উল্লেখ্য গত ২২ মার্চ ২০২২ কমিশনের নির্দেশনায় নদীতে বালুখেকোদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। বর্তমানে জেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে কোস্ট গার্ড ও নৌপুলিশের অব্যাহত অভিযানের ফলে অবৈধ বালু খেকো ড্রেজারের হাত হতে এ অঞ্চল মুক্ত হয়েছে।