হবিগঞ্জ ০৫:৫২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনে সিলেট বিভাগে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন ইউএনও মেহেদী হাসানের Logo মাদক-অপরাধ দমনে চুনারুঘাটে পুলিশের নজরদারি বাড়ছে Logo ‘অবিচল বিশ্বাসের ৫০ বছর’ উদযাপনে হবিগঞ্জে র‍্যালি ও গ্রাহক সম্মেলন Logo চুনারুঘাট থানায় ১২ দিনে প্রত্যাহার ৪ পুলিশ সদস্য Logo তরুণ আলোকচিত্রী মারুফের ‘বোটানিক্যাল সাইলেন্স’, প্রকৃতির সৌন্দর্যে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি Logo লন্ডনে গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকের জাতীয় সম্মেলন সফল করার আহ্বান Logo চুনারুঘাটে ঘুষের ভিডিও ভাইরাল, এএসআই অতনু প্রত্যাহার Logo চুনারুঘাটে হাসপাতালে রোগীর মৃত্যুর ঘটনায় জনমনে ক্ষোভ, তদন্ত কমিটি গঠন Logo চুনারুঘাটে চিকিৎসা অবহেলায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ: হাসপাতাল পরিদর্শনে জামায়াত নেতারা Logo আমি পোশাক লাগিয়েছি ঘুষের টাকা দিয়ে, ঘুষ খাওয়ার জন্যই-এএসআই ইলিয়াছ

মাধবপুর উপজেলায় বিএডিসির গভীর নলকূপ স্থাপনে বদলে গেছে কৃষকের জীবন যাত্রা

মাধবপুরের বিভিন্ন এলাকায় কৃষকরা এক সময় দুই ফসল ধান চাষাবাদ করতে কৃষকদের অনেক কষ্ট হত। বর্তমানে তারা তিন ফসলও চাষাবাদ করেন। পানির সু-ব্যবস্থা না থাকায় এক বা দুই ফসল করতে হত। এখন মাধবপুর উপজেলায় বিএডিসি গভীর নলকূপ স্থাপনের কারনে বদলে গেছে কৃষির চিত্র। আগে যেখানে ১ ফসল হত এখন সেখানে ২ ফসল হচেছ। যেখানে ২ ফসল হত এখন সেখানে ৩ ফসল হচেছ। এতে কৃষকদের মাঝে দেখা দিয়েছে আনন্দ ।

উপজেলার চৌমুহনী ইউনিয়নের গোপীনাথপুর গ্রামে ৪০ হেক্টর জমিতে আগে এক ফসল হত। এখন বদলে গেছে সেখানকার কৃষির চিত্র। পর্যপ্ত সেচ সুবিধা থাকায় কৃষকরা এখন ওই সব জমিতে ৩ থেকে ৪ ফসল করছেন। বিএডিসি থেকে গভীর নলকূপ স্থাপন করে দেওয়ায় সেচ খরচও কম হচেছ। এতে করে ওই গ্রামের ৫ শতাধিক কৃষকের জীবন যাত্রা বদলে গেছে। আগে যেখানে এক ফসল করে সংসার চালানো কষ্ট হত এখন সেখানে ৩ ফসল করে সুখে দিন কাটছে তাদের।
কৃষক আব্দুল বাছির বদু মিয়া জানান, এই মাঠে আগে তাদের একটা ফসল হত। শুধু আমন ধান করতেন। এখন সেচ সুবিধার কারনে ২ থেকে আড়াই খানি জায়গা বোরো আবাদে এসেছে। বর্ষার সময় যখন সারা দেশে পানি থাকে তখন এখানে পানি থাকে না। এখন এখানে বিএডিসি সেচ সুবিধা হওয়ায় তারা তরমুজ, শশা, লাউ, চাষ করেন।
হবিগঞ্জ বিএডিসির সহকারী প্রকৌশলী রাকিবুল হক জানান, ২০১৬- ২০১৭ অর্থ বছরে গোপীনাথপুর একটি ডিপটিউবওয়েল স্থাপন করা হয়।এই এলাকাটি সেচের জন্য অনাবাদি ছিল। গভীর নলকূপ স্থাপনের করার ফলে এই এলাকার প্রায় ৪০ হেক্টর জমি বোরো ধানের আওতায় আসে। পূর্বে এই জায়গায় বোরো ধান হত না।
মাধবপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আল মামুন হাসান জানান, ২০২১- ২২ অর্থ বছরে মাধবপুরে বোরোর লক্ষ্যমাত্রা ১১ হাজার ৭০ হেক্টর। লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি চাষ হয়েছে। বোরো আবাদ বাড়ার মূল কারণ হল কৃষকদের ৫০% ভতুকিতে যন্ত্রপাতি সরবরাহ করা হচেছ। কৃষকদের যন্ত্রকিনার প্রতি আগ্রহ বাড়ছে। আগে কৃষকরা ধান কাটার শ্রমিক নিয়ে আশংকা থাকত। এই আশংকার কারনে কৃষকরা বোরো আবাদ কম করত।
বোরো মৌসুমে সেচের একটু সমস্যা হয়। বিএডিসি সহ কৃষি মন্ত্রনালয়ের যে প্রতিষ্টান গুলো আছে উনাদের সহযোগীতার কারনে আগে যেখানে ২ ফসল হত এখন সেখানে ৩ ফসল হচেছ। ১ ফসলি জমি গুলোতে এখন ২ ফসল , ২ ফসলি জমি গুলোতে ৩ ফসল হচেছ। সেচের সংকট দূর হওয়ার কারনে কৃষকরা আগ্রহী হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

খন্দকার আলাউদ্দিন

আপনাদের চারপাশে ঘটে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, অনিয়ম, দুর্নীতি, অপরাধ, জনদুর্ভোগ, উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ও সম্ভাবনার সংবাদ আমাদের জানান।
জনপ্রিয় সংবাদ

জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনে সিলেট বিভাগে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন ইউএনও মেহেদী হাসানের

মাধবপুর উপজেলায় বিএডিসির গভীর নলকূপ স্থাপনে বদলে গেছে কৃষকের জীবন যাত্রা

আপডেট সময় ০৬:০০:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ মার্চ ২০২২

মাধবপুরের বিভিন্ন এলাকায় কৃষকরা এক সময় দুই ফসল ধান চাষাবাদ করতে কৃষকদের অনেক কষ্ট হত। বর্তমানে তারা তিন ফসলও চাষাবাদ করেন। পানির সু-ব্যবস্থা না থাকায় এক বা দুই ফসল করতে হত। এখন মাধবপুর উপজেলায় বিএডিসি গভীর নলকূপ স্থাপনের কারনে বদলে গেছে কৃষির চিত্র। আগে যেখানে ১ ফসল হত এখন সেখানে ২ ফসল হচেছ। যেখানে ২ ফসল হত এখন সেখানে ৩ ফসল হচেছ। এতে কৃষকদের মাঝে দেখা দিয়েছে আনন্দ ।

উপজেলার চৌমুহনী ইউনিয়নের গোপীনাথপুর গ্রামে ৪০ হেক্টর জমিতে আগে এক ফসল হত। এখন বদলে গেছে সেখানকার কৃষির চিত্র। পর্যপ্ত সেচ সুবিধা থাকায় কৃষকরা এখন ওই সব জমিতে ৩ থেকে ৪ ফসল করছেন। বিএডিসি থেকে গভীর নলকূপ স্থাপন করে দেওয়ায় সেচ খরচও কম হচেছ। এতে করে ওই গ্রামের ৫ শতাধিক কৃষকের জীবন যাত্রা বদলে গেছে। আগে যেখানে এক ফসল করে সংসার চালানো কষ্ট হত এখন সেখানে ৩ ফসল করে সুখে দিন কাটছে তাদের।
কৃষক আব্দুল বাছির বদু মিয়া জানান, এই মাঠে আগে তাদের একটা ফসল হত। শুধু আমন ধান করতেন। এখন সেচ সুবিধার কারনে ২ থেকে আড়াই খানি জায়গা বোরো আবাদে এসেছে। বর্ষার সময় যখন সারা দেশে পানি থাকে তখন এখানে পানি থাকে না। এখন এখানে বিএডিসি সেচ সুবিধা হওয়ায় তারা তরমুজ, শশা, লাউ, চাষ করেন।
হবিগঞ্জ বিএডিসির সহকারী প্রকৌশলী রাকিবুল হক জানান, ২০১৬- ২০১৭ অর্থ বছরে গোপীনাথপুর একটি ডিপটিউবওয়েল স্থাপন করা হয়।এই এলাকাটি সেচের জন্য অনাবাদি ছিল। গভীর নলকূপ স্থাপনের করার ফলে এই এলাকার প্রায় ৪০ হেক্টর জমি বোরো ধানের আওতায় আসে। পূর্বে এই জায়গায় বোরো ধান হত না।
মাধবপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আল মামুন হাসান জানান, ২০২১- ২২ অর্থ বছরে মাধবপুরে বোরোর লক্ষ্যমাত্রা ১১ হাজার ৭০ হেক্টর। লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি চাষ হয়েছে। বোরো আবাদ বাড়ার মূল কারণ হল কৃষকদের ৫০% ভতুকিতে যন্ত্রপাতি সরবরাহ করা হচেছ। কৃষকদের যন্ত্রকিনার প্রতি আগ্রহ বাড়ছে। আগে কৃষকরা ধান কাটার শ্রমিক নিয়ে আশংকা থাকত। এই আশংকার কারনে কৃষকরা বোরো আবাদ কম করত।
বোরো মৌসুমে সেচের একটু সমস্যা হয়। বিএডিসি সহ কৃষি মন্ত্রনালয়ের যে প্রতিষ্টান গুলো আছে উনাদের সহযোগীতার কারনে আগে যেখানে ২ ফসল হত এখন সেখানে ৩ ফসল হচেছ। ১ ফসলি জমি গুলোতে এখন ২ ফসল , ২ ফসলি জমি গুলোতে ৩ ফসল হচেছ। সেচের সংকট দূর হওয়ার কারনে কৃষকরা আগ্রহী হচ্ছে।