হবিগঞ্জ ০৫:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo মাধবপুরে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ২০০ কৃতী শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা Logo চুনারুঘাটে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা সেবা অনুষ্ঠিত Logo চুনারুঘাটে অগ্রগামী মডেল কেজি স্কুল ও পাঠাগারে নজরুল বর্ষ উদযাপন Logo এইচএসসি পরীক্ষায় চুনারুঘাটের কলেজগুলোতে পাসের হার ৪৪.৬৮%, মাদ্রাসায় ৬৮.০৬% Logo চুনারুঘাট পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পৌর যুবদলের বৃক্ষরোপণ Logo চুনারুঘাটে শিক্ষককে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী বহিষ্কার Logo চুনারুঘাটে কৃষকের কাছে ১০ হাজার টাকা চাঁদা নেওয়ার অভিযোগ বিএনপি নেতা হাবিবের বিরুদ্ধে Logo জকিগঞ্জ বিজিবির অভিযানে ২৪ লাখ টাকার অবৈধ পণ্য জব্দ Logo কানাইঘাট-জৈন্তাপুর সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ১৮ লাখ টাকার অবৈধ পণ্য জব্দ Logo বাহুবলে বনবিভাগের অভিযানে আকাশমনি কাঠের ৬ টুকরা গোলকাঠ জব্দ

গাড়ির নামে বীমা করে ভোগান্তিতে ব্যারিস্টার সুমন, ইন্স্যুরেন্স এজেন্ট লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ !

  • আলোকিত ডেস্ক:
  • আপডেট সময় ১১:১৫:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ মার্চ ২০২২
  • ৩৯৫ বার পড়া হয়েছে

ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। পেশায় একজন আইনজীবী ও খেলাধুলা প্রেমিক মানুষ। তাই নিজ নামে গড়ে তুলেছেন একটি ফুটবল একাডেমিও। তাঁর অধিকাংশ সময়ই কাটে খেলাধুলা ও মানুষকে সহযোগিতা করা। এছাড়াও ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন দেশের বিভিন্ন প্রান্তের অপরাধ ও অনিয়ম তুলে ধরেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। সম্প্রতি তিনি পূবালী ব্যাংক থেকে ৪০ লাখ টাকা ঋণ নিয়ে একটি গাড়ি কিনেছিলেন । নিয়ম অনুযায়ী ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা দিয়ে করেছেন ইন্স্যুরেন্সও। সম্প্রতি গাড়িটি ক্ষতিগ্রস্ত হলে সংশ্লিষ্ট গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির কাছে ক্ষতিপূরণে ক্লেইম করেন।

বিপত্তি বাধে এখানে। প্রায় তিন মাস ঘুরেও গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি থেকে সাড়া পাননি এই আইনজীবী। অতঃপর বাধ্য হয়ে কোম্পানির অফিসে যান তিনি। অফিসে গিয়ে জানতে পারেন ইন্স্যুরেন্সে তার গাড়ি বাবদ জমা পড়েছে ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা। বাকি প্রায় লাখ খানিক টাকার হদিস নেই। বুঝতে বাকি রইল না যে ইন্স্যুরেন্স এজেন্ট এই টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।

এপ্রেক্ষিতে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে লাইভে কথা বলেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রাষ্ট্রপক্ষের সাবেক এই কৌঁসুলি। এসময় বীমা কোম্পানির দালাল, ক্ষতিপূরণ প্রাপ্তিতে ভোগান্তির বিষয়গুলো তুলে ধরেন তিনি।

ব্যারিস্টার সুমন বলেন, পৃথিবীর সব ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিগুলো যেখানে দিন দিন বড় হচ্ছে, আমাদের দেশের বীমা কোম্পানিগুলো সেখানে খারাপ পার্ফরমেন্সের পসরা সাজিয়ে বসেছে। এসব নাম সবস্ব কোম্পানিতে পরিণত হচ্ছে। এদের কার্যক্রম এতো খারাপ যে এক সপ্তাহ আগে আমাকে কোম্পানি থেকে ফোন করে বলা হয় আমার ক্লেইম করা বিষয়টি রেডি, আসলেই পেয়ে যাব। অথচ আজ ৮ দিন পর এসেও বিষয়টির সুরাহা হয়নি।

এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে কোম্পানির পক্ষ থেকে কোন সদুত্তর পাননি উল্লেখ করে তিনি বলেন, এদের টেন্ডেন্সি হচ্ছে, এমনভাবে গ্রাহককে জ্বালা-যন্ত্রণা দিবো যেন আর কখনো কোন ক্লেইম নিয়ে না আসো। ইন্স্যুরেন্স মানে হচ্ছে একবার টাকা জমা হয়ে গেল তো, আর ফেরতের নাম নাই।

নিজের সমস্যা সাধারণ তুলে ধরেন না উল্লেখ করে ব্যারিস্টার সুমন আরও বলেন, ব্যক্তিগত সমস্যা নিয়ে কখনো কথা বলি না, কিন্তু এ বিষয়টি তুলে ধরা উচিত বলে মনে করেছি। কারণ বহু সাধারণ মানুষ আছেন যারা ইন্স্যুরেন্সের খপ্পরে পড়ে নানা ভাবে হয়রানির শিকার হয়েছেন।

একজন আইনজীবীকে এভাবে ভোগান্তির শিকার হতে হলে সাধারণ মানুষের অবস্থা কি হয়রানিমূলক হতে পারে সেটা বুঝতে আর বাকি থাকে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এসময় ফারইস্ট ও ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ম্যানেজমেন্ট কর্তৃক হাজার হাজার কোটি টাকা লোপাটের অভিযোগের বিষয়টিও তুলে ধরেন তিনি।

পরিশেষে বীমা কোম্পানির আচরণ সহ্য করার মতো না উল্লেখ করে ব্যারিস্টার সুমন বলেন, সরকারের কাছে দাবি জানাই, বীমা কোম্পানির নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ যেন গ্রাহককে হয়রানি করা এসব ইন্স্যুরেন্সে কোম্পানিগুলোর দিকে নজরদারি বৃদ্ধি করেন এবং যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।

সুত্র: লয়ার্স ক্লাব বাংলাদেশ.কম।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

খন্দকার আলাউদ্দিন

আপনাদের চারপাশে ঘটে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, অনিয়ম, দুর্নীতি, অপরাধ, জনদুর্ভোগ, উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ও সম্ভাবনার সংবাদ আমাদের জানান।

মাধবপুরে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ২০০ কৃতী শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা

গাড়ির নামে বীমা করে ভোগান্তিতে ব্যারিস্টার সুমন, ইন্স্যুরেন্স এজেন্ট লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ !

আপডেট সময় ১১:১৫:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ মার্চ ২০২২

ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। পেশায় একজন আইনজীবী ও খেলাধুলা প্রেমিক মানুষ। তাই নিজ নামে গড়ে তুলেছেন একটি ফুটবল একাডেমিও। তাঁর অধিকাংশ সময়ই কাটে খেলাধুলা ও মানুষকে সহযোগিতা করা। এছাড়াও ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন দেশের বিভিন্ন প্রান্তের অপরাধ ও অনিয়ম তুলে ধরেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। সম্প্রতি তিনি পূবালী ব্যাংক থেকে ৪০ লাখ টাকা ঋণ নিয়ে একটি গাড়ি কিনেছিলেন । নিয়ম অনুযায়ী ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা দিয়ে করেছেন ইন্স্যুরেন্সও। সম্প্রতি গাড়িটি ক্ষতিগ্রস্ত হলে সংশ্লিষ্ট গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির কাছে ক্ষতিপূরণে ক্লেইম করেন।

বিপত্তি বাধে এখানে। প্রায় তিন মাস ঘুরেও গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি থেকে সাড়া পাননি এই আইনজীবী। অতঃপর বাধ্য হয়ে কোম্পানির অফিসে যান তিনি। অফিসে গিয়ে জানতে পারেন ইন্স্যুরেন্সে তার গাড়ি বাবদ জমা পড়েছে ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা। বাকি প্রায় লাখ খানিক টাকার হদিস নেই। বুঝতে বাকি রইল না যে ইন্স্যুরেন্স এজেন্ট এই টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।

এপ্রেক্ষিতে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে লাইভে কথা বলেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রাষ্ট্রপক্ষের সাবেক এই কৌঁসুলি। এসময় বীমা কোম্পানির দালাল, ক্ষতিপূরণ প্রাপ্তিতে ভোগান্তির বিষয়গুলো তুলে ধরেন তিনি।

ব্যারিস্টার সুমন বলেন, পৃথিবীর সব ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিগুলো যেখানে দিন দিন বড় হচ্ছে, আমাদের দেশের বীমা কোম্পানিগুলো সেখানে খারাপ পার্ফরমেন্সের পসরা সাজিয়ে বসেছে। এসব নাম সবস্ব কোম্পানিতে পরিণত হচ্ছে। এদের কার্যক্রম এতো খারাপ যে এক সপ্তাহ আগে আমাকে কোম্পানি থেকে ফোন করে বলা হয় আমার ক্লেইম করা বিষয়টি রেডি, আসলেই পেয়ে যাব। অথচ আজ ৮ দিন পর এসেও বিষয়টির সুরাহা হয়নি।

এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে কোম্পানির পক্ষ থেকে কোন সদুত্তর পাননি উল্লেখ করে তিনি বলেন, এদের টেন্ডেন্সি হচ্ছে, এমনভাবে গ্রাহককে জ্বালা-যন্ত্রণা দিবো যেন আর কখনো কোন ক্লেইম নিয়ে না আসো। ইন্স্যুরেন্স মানে হচ্ছে একবার টাকা জমা হয়ে গেল তো, আর ফেরতের নাম নাই।

নিজের সমস্যা সাধারণ তুলে ধরেন না উল্লেখ করে ব্যারিস্টার সুমন আরও বলেন, ব্যক্তিগত সমস্যা নিয়ে কখনো কথা বলি না, কিন্তু এ বিষয়টি তুলে ধরা উচিত বলে মনে করেছি। কারণ বহু সাধারণ মানুষ আছেন যারা ইন্স্যুরেন্সের খপ্পরে পড়ে নানা ভাবে হয়রানির শিকার হয়েছেন।

একজন আইনজীবীকে এভাবে ভোগান্তির শিকার হতে হলে সাধারণ মানুষের অবস্থা কি হয়রানিমূলক হতে পারে সেটা বুঝতে আর বাকি থাকে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এসময় ফারইস্ট ও ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ম্যানেজমেন্ট কর্তৃক হাজার হাজার কোটি টাকা লোপাটের অভিযোগের বিষয়টিও তুলে ধরেন তিনি।

পরিশেষে বীমা কোম্পানির আচরণ সহ্য করার মতো না উল্লেখ করে ব্যারিস্টার সুমন বলেন, সরকারের কাছে দাবি জানাই, বীমা কোম্পানির নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ যেন গ্রাহককে হয়রানি করা এসব ইন্স্যুরেন্সে কোম্পানিগুলোর দিকে নজরদারি বৃদ্ধি করেন এবং যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।

সুত্র: লয়ার্স ক্লাব বাংলাদেশ.কম।