হবিগঞ্জ ০৩:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo মাধবপুরে শিশুদের সঙ্গে মেঝেতে বসে পাঠদান করলেন প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ Logo মাধবপুরে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ২০০ কৃতী শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা Logo চুনারুঘাটে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা সেবা অনুষ্ঠিত Logo চুনারুঘাটে অগ্রগামী মডেল কেজি স্কুল ও পাঠাগারে নজরুল বর্ষ উদযাপন Logo এইচএসসি পরীক্ষায় চুনারুঘাটের কলেজগুলোতে পাসের হার ৪৪.৬৮%, মাদ্রাসায় ৬৮.০৬% Logo চুনারুঘাট পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পৌর যুবদলের বৃক্ষরোপণ Logo চুনারুঘাটে শিক্ষককে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী বহিষ্কার Logo চুনারুঘাটে কৃষকের কাছে ১০ হাজার টাকা চাঁদা নেওয়ার অভিযোগ বিএনপি নেতা হাবিবের বিরুদ্ধে Logo জকিগঞ্জ বিজিবির অভিযানে ২৪ লাখ টাকার অবৈধ পণ্য জব্দ Logo কানাইঘাট-জৈন্তাপুর সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ১৮ লাখ টাকার অবৈধ পণ্য জব্দ

কাফনের কাপড় পাঠিয়ে বিএনপি নেতাকে হত্যার হুমকি, থানায় জিডি

হবিগঞ্জের মাধবপুরে বিএনপি নেতা ও আদাঐর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মীর খোরশেদ আলমকে ডাকযোগে কাফনের কাপড় পাঠিয়ে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তিনি মাধবপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

শনিবার (১ আগস্ট) সকালে মীর খোরশেদ আলমের ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে ডাকযোগে একটি বড় পার্সেল আসে। পার্সেল খুলে কাফনের কাপড় ও একটি বেনামি চিঠি পাওয়া যায় বলে জানিয়েছেন তিনি।

চিঠিতে মীর খোরশেদ আলমকে উদ্দেশ করে লেখা হয়, ‘পাওয়ার পর তোর জীবনে যা আছে করার করে নে। এরপর মাত্র কয়েকদিন বেঁচে থাকবি। আগুন নিয়ে খেলার পরিণাম বুঝবি।’

চিঠিতে মীর খোরশেদ আলম ছাড়াও আনোয়ার হোসেন, মাহমুদ হোসেন, মিসির আলি, আব্দুল গফুর, মিজান কন্ডাক্টর, বজলু, সৈয়দ শিব্বির, আনাস, তালহা, তানজিল ও নোমানের নাম উল্লেখ করে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। একই চিঠিতে আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতার নাম উল্লেখ করে তাঁদের চেয়ারম্যান করার কথাও লেখা রয়েছে।

এ ঘটনায় স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে বলে জানা গেছে।

মীর খোরশেদ আলম বলেন, ‘আমি জেনে কারও কোনো ক্ষতি করিনি। কারও কোনো ক্ষোভ থাকলে সরাসরি কথা বলতে পারে। অনেক সময় আমাকে নিয়ে ভুল তথ্য প্রকাশ হলেও আমি প্রতিক্রিয়া দেখাই না।’

ঘটনার পর মীর খোরশেদ আলম মাধবপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। পাশাপাশি বিষয়টি হবিগঞ্জের পুলিশ সুপারকে অবহিত করেছেন বলে জানান তিনি। চিঠি প্রেরণকারীর পরিচয় জানতে ফেসবুকের মাধ্যমে তাঁকে সরাসরি যোগাযোগের আহ্বানও জানিয়েছেন এই বিএনপি নেতা।

মাধবপুর মডেল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফরাশউদ্দিন বলেন, ‘এ ধরনের ঘটনা আতঙ্ক সৃষ্টি এবং রাজনৈতিক বিরোধ উসকে দেওয়ার চেষ্টা হতে পারে। পুলিশ ও সাংবাদিকদের অনুসন্ধানে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে বলে আশা করি।’

স্থানীয় যুবদল নেতা খিজির খান সোহেল বলেন, ‘মীর খোরশেদ আলম একজন ত্যাগী নেতা। তাঁকে ভয়ভীতি দেখানোর চেষ্টা করা হলে দলীয়ভাবে তা মোকাবিলা করা হবে।’

মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানা বলেন, ‘বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।’

মীর খোরশেদ আলম মাধবপুর উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি এবং আদাঐর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। তিনি স্থানীয় সংসদ সদস্যের উন্নয়ন কমিটির সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

খন্দকার আলাউদ্দিন

আপনাদের চারপাশে ঘটে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, অনিয়ম, দুর্নীতি, অপরাধ, জনদুর্ভোগ, উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ও সম্ভাবনার সংবাদ আমাদের জানান।

মাধবপুরে শিশুদের সঙ্গে মেঝেতে বসে পাঠদান করলেন প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ

কাফনের কাপড় পাঠিয়ে বিএনপি নেতাকে হত্যার হুমকি, থানায় জিডি

আপডেট সময় ০৩:৩৬:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬

হবিগঞ্জের মাধবপুরে বিএনপি নেতা ও আদাঐর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মীর খোরশেদ আলমকে ডাকযোগে কাফনের কাপড় পাঠিয়ে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তিনি মাধবপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

শনিবার (১ আগস্ট) সকালে মীর খোরশেদ আলমের ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে ডাকযোগে একটি বড় পার্সেল আসে। পার্সেল খুলে কাফনের কাপড় ও একটি বেনামি চিঠি পাওয়া যায় বলে জানিয়েছেন তিনি।

চিঠিতে মীর খোরশেদ আলমকে উদ্দেশ করে লেখা হয়, ‘পাওয়ার পর তোর জীবনে যা আছে করার করে নে। এরপর মাত্র কয়েকদিন বেঁচে থাকবি। আগুন নিয়ে খেলার পরিণাম বুঝবি।’

চিঠিতে মীর খোরশেদ আলম ছাড়াও আনোয়ার হোসেন, মাহমুদ হোসেন, মিসির আলি, আব্দুল গফুর, মিজান কন্ডাক্টর, বজলু, সৈয়দ শিব্বির, আনাস, তালহা, তানজিল ও নোমানের নাম উল্লেখ করে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। একই চিঠিতে আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতার নাম উল্লেখ করে তাঁদের চেয়ারম্যান করার কথাও লেখা রয়েছে।

এ ঘটনায় স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে বলে জানা গেছে।

মীর খোরশেদ আলম বলেন, ‘আমি জেনে কারও কোনো ক্ষতি করিনি। কারও কোনো ক্ষোভ থাকলে সরাসরি কথা বলতে পারে। অনেক সময় আমাকে নিয়ে ভুল তথ্য প্রকাশ হলেও আমি প্রতিক্রিয়া দেখাই না।’

ঘটনার পর মীর খোরশেদ আলম মাধবপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। পাশাপাশি বিষয়টি হবিগঞ্জের পুলিশ সুপারকে অবহিত করেছেন বলে জানান তিনি। চিঠি প্রেরণকারীর পরিচয় জানতে ফেসবুকের মাধ্যমে তাঁকে সরাসরি যোগাযোগের আহ্বানও জানিয়েছেন এই বিএনপি নেতা।

মাধবপুর মডেল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফরাশউদ্দিন বলেন, ‘এ ধরনের ঘটনা আতঙ্ক সৃষ্টি এবং রাজনৈতিক বিরোধ উসকে দেওয়ার চেষ্টা হতে পারে। পুলিশ ও সাংবাদিকদের অনুসন্ধানে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে বলে আশা করি।’

স্থানীয় যুবদল নেতা খিজির খান সোহেল বলেন, ‘মীর খোরশেদ আলম একজন ত্যাগী নেতা। তাঁকে ভয়ভীতি দেখানোর চেষ্টা করা হলে দলীয়ভাবে তা মোকাবিলা করা হবে।’

মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানা বলেন, ‘বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।’

মীর খোরশেদ আলম মাধবপুর উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি এবং আদাঐর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। তিনি স্থানীয় সংসদ সদস্যের উন্নয়ন কমিটির সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।