হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার চৌমুহনী ইউনিয়নের রামনগর গ্রামে পাখি ও বন্যপ্রাণী শিকারের অভিযোগ ওঠা বদু মিয়ার বাড়িতে গেছেন হবিগঞ্জ বন বিভাগের কর্মকর্তারা। এ সময় হবিগঞ্জের ডিএফও কার্যালয়ের কর্মকর্তা মাহমুদ হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বদু মিয়ার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে পেশাদারভাবে পাখি ও বন্যপ্রাণী শিকারের অভিযোগ রয়েছে। স্বামীর পাখি শিকারের প্রতিবাদ জানিয়ে প্রায় তিন বছর ধরে বাবার বাড়িতে অবস্থান করছিলেন তার স্ত্রী তানিয়া আক্তার। তিনি স্বামীর এমন কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ করে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও জানিয়েছেন।
বিষয়টি জানার পর বন বিভাগের কর্মকর্তারা বদু মিয়ার বাড়িতে গিয়ে অভিযোগের বিষয়ে খোঁজখবর নেন এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেন।
তবে বদু মিয়া পাখি শিকারের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, একসময় পাখি শিকার করলেও বর্তমানে তিনি আর পাখি শিকার করেন না। স্ত্রী ও সন্তানদের ভরণপোষণের দায়িত্ব নেওয়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি।
এদিকে বন বিভাগের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে দীর্ঘদিনের পারিবারিক সমস্যারও সমাধান হয়েছে। প্রায় তিন বছর বাবার বাড়িতে থাকার পর স্ত্রী তানিয়া আক্তারকে আবারও নিজের বাড়িতে তুলে নিয়েছেন বদু মিয়া।
অর্থাৎ, পাখি শিকারের অভিযোগের তদন্তের পাশাপাশি এক উছিলায় দীর্ঘদিনের স্বামী-স্ত্রীর বিরোধেরও অবসান হলো।
শামসুদ্দীন সাগর, মাধবপুর : 









