হবিগঞ্জ ০৮:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo কুলাউড়ায় কলেজ পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক নির্বাচিত মাজহারুল ইসলাম কুলাউড়া Logo চুনারুঘাটে চা শ্রমিকদের রেইনকোট, হতদরিদ্রদের ঢেউটিন ও শিক্ষার্থীদের হুইলচেয়ার দিলেন এমপি Logo চুনারুঘাটে দেড় কেজি গাঁজাসহ আটক, পুলিশ আসার আগেই পালালেন যুবক Logo চুনারুঘাটের হাজী আলিম উল্লাহ সিনিয়র আলিম মাদ্রাসায় এডহক কমিটি সভাপতি হলেন সাজিদ Logo শায়েস্তাগঞ্জে নাটকের মৌলিক বিষয়ে তিন দিনব্যাপী নাট্য কর্মশালা Logo চুনারুঘাটের রাজার বাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা Logo শিক্ষার্থীদের পরিবহন সুবিধায় হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে বাস সেবা চালু Logo হুইলচেয়ারেই কাটে প্রধান শিক্ষক কল্যাণ কুমার দেবের জীবন Logo চুনারুঘাটে উলামা পরিষদের উদ্যোগে সীরাত মাহফিল ও হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা Logo চুনারুঘাটে প্রবাসী পরিবারের ওপর হামলার ঘটনায় ছায়েদ আলী সহ গ্রেপ্তার ৩

কুলাউড়ায় কলেজ পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক নির্বাচিত মাজহারুল ইসলাম কুলাউড়া

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলা পর্যায়ে কলেজ স্তরের শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছেন লংলা আধুনিক ডিগ্রি কলেজের ইতিহাস বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম। গত ২১ সেপ্টেম্বর এ ফলাফল প্রকাশ করা হয়।

জাতি গঠনে শিক্ষকদের অবদানের স্বীকৃতি প্রদান এবং তাঁদের উৎসাহিত ও অনুপ্রাণিত করার লক্ষ্যে প্রতিবছর ৫ অক্টোবর বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালন করা হয়। এ উপলক্ষে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের নির্দেশনায় দেশের উপজেলা, জেলা ও জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক নির্বাচনের কার্যক্রম চলছে। এরই অংশ হিসেবে কুলাউড়া উপজেলা পর্যায়ে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নির্বাচন করা হয়েছে।

কুলাউড়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার মো. শফিকুল ইসলাম জানান, উপজেলা পর্যায়ে নির্বাচিত শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষকরা জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করবেন।

মোহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম ২০০১ সালে লংলা আধুনিক ডিগ্রি কলেজে ইতিহাস বিভাগের প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে পদোন্নতি পেয়ে সহকারী অধ্যাপক হন। তাঁর বাড়ি হবিগঞ্জের চুনারুঘাট পৌরশহরের চন্দনা এলাকায়। ঢাকা কলেজ থেকে উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করে তিনি শিক্ষকতা পেশায় যুক্ত হন। শিক্ষকতার পাশাপাশি তিনি দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক, সাংস্কৃতিক, শিক্ষামূলক ও মানবিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত রয়েছেন।

ছাত্রজীবন থেকেই বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে তাঁর সম্পৃক্ততা রয়েছে। ১৯৭৭ সালে চুনারুঘাট উপজেলার দক্ষিণা চরণ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে ‘ফেরিওয়ালা’ নাটকে প্রথম অভিনয় করেন। ১৯৮৩ সালে চুনারুঘাট খোয়াই কচিকাঁচার মেলার প্রচার সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৫ সাল থেকে চুনারুঘাটের চক্ষু শিবিরের কার্যক্রমে অংশ নেন। ১৯৮৬ সালে সবুজসেনা ক্রীড়াচক্রের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হন।

এ ছাড়া ১৯৮৫ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত বন্যাদুর্গত মানুষের জন্য ফান্ড গঠন ও ত্রাণ বিতরণে অংশগ্রহণ, ১৯৮২ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত জাতীয় শিশু পুরস্কার প্রতিযোগিতায় উপজেলা, জেলা, বিভাগীয় ও জাতীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণ, ১৯৮৮ সালে রেড ক্রিসেন্টের কার্যক্রমে যুক্ত হওয়া এবং ১৯৮৯ সালে ত্রয়োদশ জাতীয় স্কাউট জাম্বুরিতে অংশগ্রহণ করেন।

১৯৯২ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত রক্তদান কার্যক্রমে অংশ নেন। ১৯৯৩ থেকে ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ টেলিভিশন ও ঢাকার বিভিন্ন মঞ্চে নাটকে অভিনয় করেন। ১৯৯৪ সালে চুনারুঘাট সাহিত্য-সংস্কৃতি পরিষদের আহ্বায়ক নির্বাচিত হন। ২০০৮ সালে পদক্ষেপ গণপাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নেন। বর্তমানে পাঠাগারটি ‘ক’ শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত।

২০১০ সালে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের উদ্যোগে জাতীয় শিক্ষানীতি প্রণয়নে ইতিহাস বিষয়ে সুপারিশমূলক প্রবন্ধ রচনা করেন। ২০১৫ সালে কুলাউড়ার রবিরবাজারে প্রতিবন্ধী সেবা সংস্থা (প্রসেস)-এর প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সেবামূলক কার্যক্রমে যুক্ত হন। ২০২১ সালে ‘কবিতাকণ্ঠ’, চুনারুঘাটের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হন। ২০২৪ সালে ফান্ড সংগ্রহ করে একটি দরিদ্র পরিবারকে অটোরিকশা প্রদান করেন। পাশাপাশি বাংলাদেশ ইতিহাস সমিতির বিভিন্ন সম্মেলন ও সেমিনারে অংশগ্রহণ করেছেন। বিভিন্ন সময়ে তাঁর লেখা প্রবন্ধ বিভিন্ন জার্নাল, পত্রিকা ও সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে।

কলেজ পর্যায়ে ‘শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক-২০২৬’ নির্বাচিত হওয়ায় মোহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীদের জ্ঞান, দক্ষতা ও মানবিক মূল্যবোধ বিকাশে আরও নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

লংলা আধুনিক ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নজমুল হোসেন বলেন, ‘মোহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম কলেজে যোগদানের পর থেকেই পাঠদানের উন্নয়নে বিভিন্ন সৃজনশীল পদ্ধতি গ্রহণে পরামর্শ দিয়ে আসছেন। সহশিক্ষা কার্যক্রমেও তিনি সবসময় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। কলেজের গণ্ডির বাইরে উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়েও তাঁর বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি রয়েছে। উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক নির্বাচিত হওয়ায় কলেজ পরিবার গর্বিত।’

কুলাউড়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার মো. শফিকুল ইসলাম জানান, উপজেলা পর্যায়ে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছেন—কলেজ স্তরে লংলা আধুনিক ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম, মাধ্যমিক স্তরে নবীন চন্দ্র সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক সেলিম আহমদ। প্রাথমিক স্তরে মো. মুর্শেদ আহমদ (প্রধান শিক্ষক, আমানীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়), শিউলি আচার্য্য (সহকারী শিক্ষক, বশিরুল হোসেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়) ও সুহানা আক্তার চৌধুরী (সহকারী শিক্ষক, ছকাপন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়) নির্বাচিত হয়েছেন। তবে মাদ্রাসা স্তরে উপযুক্ত কোনো শিক্ষক পাওয়া যায়নি।

উপজেলা পর্যায়ে নির্বাচিত শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষকরা পরবর্তী সময়ে জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করবেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

খন্দকার আলাউদ্দিন

আপনাদের চারপাশে ঘটে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, অনিয়ম, দুর্নীতি, অপরাধ, জনদুর্ভোগ, উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ও সম্ভাবনার সংবাদ আমাদের জানান।
জনপ্রিয় সংবাদ

কুলাউড়ায় কলেজ পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক নির্বাচিত মাজহারুল ইসলাম কুলাউড়া

কুলাউড়ায় কলেজ পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক নির্বাচিত মাজহারুল ইসলাম কুলাউড়া

আপডেট সময় ০৬:৫৮:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলা পর্যায়ে কলেজ স্তরের শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছেন লংলা আধুনিক ডিগ্রি কলেজের ইতিহাস বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম। গত ২১ সেপ্টেম্বর এ ফলাফল প্রকাশ করা হয়।

জাতি গঠনে শিক্ষকদের অবদানের স্বীকৃতি প্রদান এবং তাঁদের উৎসাহিত ও অনুপ্রাণিত করার লক্ষ্যে প্রতিবছর ৫ অক্টোবর বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালন করা হয়। এ উপলক্ষে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের নির্দেশনায় দেশের উপজেলা, জেলা ও জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক নির্বাচনের কার্যক্রম চলছে। এরই অংশ হিসেবে কুলাউড়া উপজেলা পর্যায়ে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নির্বাচন করা হয়েছে।

কুলাউড়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার মো. শফিকুল ইসলাম জানান, উপজেলা পর্যায়ে নির্বাচিত শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষকরা জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করবেন।

মোহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম ২০০১ সালে লংলা আধুনিক ডিগ্রি কলেজে ইতিহাস বিভাগের প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে পদোন্নতি পেয়ে সহকারী অধ্যাপক হন। তাঁর বাড়ি হবিগঞ্জের চুনারুঘাট পৌরশহরের চন্দনা এলাকায়। ঢাকা কলেজ থেকে উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করে তিনি শিক্ষকতা পেশায় যুক্ত হন। শিক্ষকতার পাশাপাশি তিনি দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক, সাংস্কৃতিক, শিক্ষামূলক ও মানবিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত রয়েছেন।

ছাত্রজীবন থেকেই বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে তাঁর সম্পৃক্ততা রয়েছে। ১৯৭৭ সালে চুনারুঘাট উপজেলার দক্ষিণা চরণ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে ‘ফেরিওয়ালা’ নাটকে প্রথম অভিনয় করেন। ১৯৮৩ সালে চুনারুঘাট খোয়াই কচিকাঁচার মেলার প্রচার সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৫ সাল থেকে চুনারুঘাটের চক্ষু শিবিরের কার্যক্রমে অংশ নেন। ১৯৮৬ সালে সবুজসেনা ক্রীড়াচক্রের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হন।

এ ছাড়া ১৯৮৫ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত বন্যাদুর্গত মানুষের জন্য ফান্ড গঠন ও ত্রাণ বিতরণে অংশগ্রহণ, ১৯৮২ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত জাতীয় শিশু পুরস্কার প্রতিযোগিতায় উপজেলা, জেলা, বিভাগীয় ও জাতীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণ, ১৯৮৮ সালে রেড ক্রিসেন্টের কার্যক্রমে যুক্ত হওয়া এবং ১৯৮৯ সালে ত্রয়োদশ জাতীয় স্কাউট জাম্বুরিতে অংশগ্রহণ করেন।

১৯৯২ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত রক্তদান কার্যক্রমে অংশ নেন। ১৯৯৩ থেকে ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ টেলিভিশন ও ঢাকার বিভিন্ন মঞ্চে নাটকে অভিনয় করেন। ১৯৯৪ সালে চুনারুঘাট সাহিত্য-সংস্কৃতি পরিষদের আহ্বায়ক নির্বাচিত হন। ২০০৮ সালে পদক্ষেপ গণপাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নেন। বর্তমানে পাঠাগারটি ‘ক’ শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত।

২০১০ সালে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের উদ্যোগে জাতীয় শিক্ষানীতি প্রণয়নে ইতিহাস বিষয়ে সুপারিশমূলক প্রবন্ধ রচনা করেন। ২০১৫ সালে কুলাউড়ার রবিরবাজারে প্রতিবন্ধী সেবা সংস্থা (প্রসেস)-এর প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সেবামূলক কার্যক্রমে যুক্ত হন। ২০২১ সালে ‘কবিতাকণ্ঠ’, চুনারুঘাটের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হন। ২০২৪ সালে ফান্ড সংগ্রহ করে একটি দরিদ্র পরিবারকে অটোরিকশা প্রদান করেন। পাশাপাশি বাংলাদেশ ইতিহাস সমিতির বিভিন্ন সম্মেলন ও সেমিনারে অংশগ্রহণ করেছেন। বিভিন্ন সময়ে তাঁর লেখা প্রবন্ধ বিভিন্ন জার্নাল, পত্রিকা ও সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে।

কলেজ পর্যায়ে ‘শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক-২০২৬’ নির্বাচিত হওয়ায় মোহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীদের জ্ঞান, দক্ষতা ও মানবিক মূল্যবোধ বিকাশে আরও নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

লংলা আধুনিক ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নজমুল হোসেন বলেন, ‘মোহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম কলেজে যোগদানের পর থেকেই পাঠদানের উন্নয়নে বিভিন্ন সৃজনশীল পদ্ধতি গ্রহণে পরামর্শ দিয়ে আসছেন। সহশিক্ষা কার্যক্রমেও তিনি সবসময় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। কলেজের গণ্ডির বাইরে উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়েও তাঁর বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি রয়েছে। উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক নির্বাচিত হওয়ায় কলেজ পরিবার গর্বিত।’

কুলাউড়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার মো. শফিকুল ইসলাম জানান, উপজেলা পর্যায়ে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছেন—কলেজ স্তরে লংলা আধুনিক ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম, মাধ্যমিক স্তরে নবীন চন্দ্র সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক সেলিম আহমদ। প্রাথমিক স্তরে মো. মুর্শেদ আহমদ (প্রধান শিক্ষক, আমানীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়), শিউলি আচার্য্য (সহকারী শিক্ষক, বশিরুল হোসেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়) ও সুহানা আক্তার চৌধুরী (সহকারী শিক্ষক, ছকাপন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়) নির্বাচিত হয়েছেন। তবে মাদ্রাসা স্তরে উপযুক্ত কোনো শিক্ষক পাওয়া যায়নি।

উপজেলা পর্যায়ে নির্বাচিত শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষকরা পরবর্তী সময়ে জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করবেন।