হবিগঞ্জ ০২:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০২৪, ৪ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo চা-বাগান এলাকায় এই প্রথম বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল স্থাপন করলেন ব্যারিস্টার সুমন Logo এবার ঈদের ছুটিতে পর্যটকদের জন্য নতুন রূপে চুনারুঘাটের পর্যটন এলাকাকে সাজালেন ব্যারিস্টার সুমন Logo সাম্যের ঈদ চাই !!  মো: মাহমুদ হাসান  Logo নিজের পালিত গরু এমপি সুমনকে উপহার দিলেন এক ভক্ত Logo শায়েস্তাগঞ্জে ইয়াবাসহ মুদি মাল ব্যবসায়ী গ্রেফতার Logo শ্রেষ্ঠ এএসআই চুনারুঘাট থানার মনির হোসেন Logo দ্বিতীয় গোপালগঞ্জে’ আওয়ামী বিরোধীদের উত্থানের নেপথ্যে কী? Logo চুনারুঘাটে আরো ৭১টি পরিবার পাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রীর নতুন ঘর Logo চুনারুঘাটে ৭দিন ব্যাপী ভূমিসেবা সপ্তাহের উদ্বোধন  Logo ৪০ বছরের পুরাতন খোয়াই নদীতে স্পিডবোট ভাসালেন ব্যারিস্টার সুমন

সিজারের সময় পেটে গজ রেখেই সেলাই করেন হবিগঞ্জের এক ডাক্তার , পরে ভারতের হাসপাতালে গিয়ে অপসারণ

সিজারের সময় পেটে গজ রেখেই সেলাই, ভারতের হাসপাতালে অপসারণ । সূর্যমূখী হাসপাতাল হবিগঞ্জ শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে সিজারের সময় পেটে গজ রেখেই অপারেশন করার অভিযোগ উঠেছে।

গত শনিবার (১২ আগস্ট) ভারতের বেঙ্গালুরুতে একটি হাসপাতালে অপারেশনের মাধ্যমে স্মৃতি সূত্রধর নামে সেই নারীর পেট থেকে দুটি গজ বের করা হয়।

স্মৃতি সূত্রধর হবিগঞ্জ সদর উপজেলার তেঘরিয়া ইউনিয়নের রামপুর গ্রামের ওয়ার্কশপ শ্রমিক স্বপন সূত্রধরের স্ত্রী। ফেসবুকে স্মৃতি সূত্রধরের স্বজনরা ভারতে অপারেশন করে বের করা গজের ছবি দিয়ে এ অভিযোগ করেন।

স্মৃতি সূত্রধরের স্বজনদের অভিযোগ, ৮ মাস আগে হবিগঞ্জ শহরের সূর্যমূখী জেনারেল হাসপাতালের ডা. আরশাদ আলী নামে একজন চিকিৎসক স্মৃতি সূত্রধরের সিজার করেন। এরপর থেকে তিনি পেটে ব্যথা অনুভব করতে থাকেন। পরে আবারও সেই হাসপাতালে গেলে আল্ট্রাসনোগ্রাম করে জানানো হয় তার পেটে টিউমার হয়েছে। তাই তাকে অপারেশন করতে হবে।

কিন্তু তাদের বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ হলে সিলেটে আবারও আল্ট্রাসনোগ্রাম করানো হয়। সেই রিপোর্টে তার পেটে বাড়তি কিছু থাকার বিষয়টি ধরা পড়ে।

পরে গত রোববার ভারতের বেঙ্গালুরুতে মজুমদার শাহ হাসপাতালে অপারেশন করে দুটি গজ বের করা হয়। স্মৃতি সূত্রধরের দেবর নয়ন সূত্রধর বলেন, ভারতে চিকিৎসায় সর্বমোট ৫ লাখ ৬৬ হাজার রুপি খরচ হয়েছে। যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৭ লাখ ৪৮ হাজার টাকা। আমার ভাই একজন দিনমজুর ওয়ার্কশপ শ্রমিক। এখন ভিটেমাটি বিক্রি করা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত চিকিৎসক ডা. আরশাদ আলী বলেন, তৃতীয় সিজার হওয়ার কারণে স্মৃতি সূত্রধরের অপারেশনটি জটিল ছিল। সিজারের পর তার সমস্যার বিষয়টি জানার পর আমরা তার চিকিৎসা করতে চেয়েছি।

কিন্তু তিনি আমাদের সঙ্গে আর যোগাযোগ করেননি। বিষয়টি জানতে সূর্যমূখী জেনারেল হাসপাতালের রিসেপশনে ফোন করা হয়। রিসিপসনিস্ট হাসপাতালের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন। তার কাছে কর্তৃপক্ষের ফোন নাম্বার চাইলে তিনি তা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে ফোন রেখে দেন।

হবিগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. মো. নুরুল হক বলেন, বিষয়টি শুনেছি। তবে এখনো কোনো অভিযোগ পাইনি। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

খন্দকার আলাউদ্দিন

হ্যালো, আমি খন্দকার আলাউদ্দিন, আপনাদের চারিপাশের সংবাদ দিয়ে আমাদের সহযোগিতা করুন।
জনপ্রিয় সংবাদ

চা-বাগান এলাকায় এই প্রথম বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল স্থাপন করলেন ব্যারিস্টার সুমন

সিজারের সময় পেটে গজ রেখেই সেলাই করেন হবিগঞ্জের এক ডাক্তার , পরে ভারতের হাসপাতালে গিয়ে অপসারণ

আপডেট সময় ০২:৫৩:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৩

সিজারের সময় পেটে গজ রেখেই সেলাই, ভারতের হাসপাতালে অপসারণ । সূর্যমূখী হাসপাতাল হবিগঞ্জ শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে সিজারের সময় পেটে গজ রেখেই অপারেশন করার অভিযোগ উঠেছে।

গত শনিবার (১২ আগস্ট) ভারতের বেঙ্গালুরুতে একটি হাসপাতালে অপারেশনের মাধ্যমে স্মৃতি সূত্রধর নামে সেই নারীর পেট থেকে দুটি গজ বের করা হয়।

স্মৃতি সূত্রধর হবিগঞ্জ সদর উপজেলার তেঘরিয়া ইউনিয়নের রামপুর গ্রামের ওয়ার্কশপ শ্রমিক স্বপন সূত্রধরের স্ত্রী। ফেসবুকে স্মৃতি সূত্রধরের স্বজনরা ভারতে অপারেশন করে বের করা গজের ছবি দিয়ে এ অভিযোগ করেন।

স্মৃতি সূত্রধরের স্বজনদের অভিযোগ, ৮ মাস আগে হবিগঞ্জ শহরের সূর্যমূখী জেনারেল হাসপাতালের ডা. আরশাদ আলী নামে একজন চিকিৎসক স্মৃতি সূত্রধরের সিজার করেন। এরপর থেকে তিনি পেটে ব্যথা অনুভব করতে থাকেন। পরে আবারও সেই হাসপাতালে গেলে আল্ট্রাসনোগ্রাম করে জানানো হয় তার পেটে টিউমার হয়েছে। তাই তাকে অপারেশন করতে হবে।

কিন্তু তাদের বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ হলে সিলেটে আবারও আল্ট্রাসনোগ্রাম করানো হয়। সেই রিপোর্টে তার পেটে বাড়তি কিছু থাকার বিষয়টি ধরা পড়ে।

পরে গত রোববার ভারতের বেঙ্গালুরুতে মজুমদার শাহ হাসপাতালে অপারেশন করে দুটি গজ বের করা হয়। স্মৃতি সূত্রধরের দেবর নয়ন সূত্রধর বলেন, ভারতে চিকিৎসায় সর্বমোট ৫ লাখ ৬৬ হাজার রুপি খরচ হয়েছে। যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৭ লাখ ৪৮ হাজার টাকা। আমার ভাই একজন দিনমজুর ওয়ার্কশপ শ্রমিক। এখন ভিটেমাটি বিক্রি করা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত চিকিৎসক ডা. আরশাদ আলী বলেন, তৃতীয় সিজার হওয়ার কারণে স্মৃতি সূত্রধরের অপারেশনটি জটিল ছিল। সিজারের পর তার সমস্যার বিষয়টি জানার পর আমরা তার চিকিৎসা করতে চেয়েছি।

কিন্তু তিনি আমাদের সঙ্গে আর যোগাযোগ করেননি। বিষয়টি জানতে সূর্যমূখী জেনারেল হাসপাতালের রিসেপশনে ফোন করা হয়। রিসিপসনিস্ট হাসপাতালের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন। তার কাছে কর্তৃপক্ষের ফোন নাম্বার চাইলে তিনি তা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে ফোন রেখে দেন।

হবিগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. মো. নুরুল হক বলেন, বিষয়টি শুনেছি। তবে এখনো কোনো অভিযোগ পাইনি। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।