হবিগঞ্জ ০৪:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৪, ৩ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo আমার স্ত্রী সন্তানদের কোনো সম্পত্তির মালিক হতে দিব না, ব্যারিস্টার সুমন Logo আইনশৃঙ্খলায় অবদান রাক্ষায় জেলার শ্রেষ্ঠ হলেন চুনারুঘাট থানার ওসি হিল্লোল রায় Logo চুনারুঘাটে এফ.এন ফাউন্ডেশন ইউকে’র চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিনের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল Logo ফ্রেন্ডস ফাউন্ডেশন ও এসএসসি’৯১ ব্যাচ সিলেট বিভাগের মানবিক কার্যক্রম সম্পন্ন Logo চুনারুঘাটে যৌতুকের দাবীতে গর্ভবতী গৃহবধুকে ৫ দিন যাবৎ অমানুষিক নির্যাতন : ৯৯৯ কল পেয়ে উদ্ধার করল পুলিশ Logo হবিগঞ্জে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির স্বল্প মূল্যে চাল বিক্রয় শুরু : তদারকিতে খাদ্য বিভাগ Logo মাধবপুরে বাংলাদেশ প্রাঃ বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতি ও বাংলাদেশ সরকারি প্রাঃ বিদ্যাঃ সমিতির যৌথ ইফতার মাহফিল Logo চুনারুঘাট সাংবাদিক ফোরামের দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo চুনারুঘাটে চেয়ারম্যান প্রার্থী আশরাফ ছিদ্দিকীর উদ্যোগে দরিদ্রদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ Logo বঙ্গবন্ধু পরিষদ রংপুর জেলার মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস পালন

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম বার্ষিকীতে ঘোড়া দৌড় আয়োজন করেছে হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসন

হবিগঞ্জে প্রাচীন বাংলার বিনোদন ঐতিহ্যবাহী ঘোড়া দৌড় প্রতিযোগিতা
এক সময় শীত মৌসুমে ঘোড়া দৌড় বেশ জন প্রিয় ছিল। বর্তমানে কালের বিবর্তনে হারি যেতে বসেছে ঘোড়া দৌড়। প্রাচীন বাংলার গ্রামীণ জনপদের অন্যতম বিনোদন ঐতিহ্যবাহী ঘোড়া দৌড়। তবে মাঝেমধ্যে এখনও গ্রামীণ জনপদে এই প্রতিযোগীতার আয়োজন করা হলেও শহর এলাকাগুলো এই প্রতিযোগীতা নেই বললেই চলে। ১৭ই মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম বার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস ২০২২ উপলক্ষে এক ব্যতিক্রমী আয়োজন করেছে হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার বিকেলে হবিগঞ্জ আধুনিক স্টেডিয়ামে এ ঘোড় দৌড় প্রতিযোগীতার আয়োজন করা হয়। আর এই ঐতিহ্যবাহী ঘোড় দৌড়ের খবর শোনে স্টেডিয়াম পাড়ায় জড়ো হয় হাজারো নারী-পুরুষ, তরুণ-তরুণী। এ বারের ব্যতিক্রমধর্মী এই ঘোড় দৌড় প্রতিযোগীতায় অংশ নেয় জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে আসা ১৫টি বিভিন্ন নামের ঘোড়া। হবিগঞ্জ আধুনিক স্টেডিয়ামে ৫ রাউন্ড খেলা শেষে চ্যাম্পিয়ন হয় জেলার নবীগঞ্জ থেকে আসা ‘শাহ জালালের দোয়া’ নামে ঘোড়াটি। যার মালিক আলাল মিয়া। আর ২য় স্থান অধিকার করে একই এলাকার দিলকাছ মিয়ার ঘোড়া ‘মায়ের আদেশ’। ৩য় স্থান অধিকার করে মাধবপুর উপজেলার বাবুল মিয়ার ঘোড়া ‘রঞ্জিত’। প্রতিযোগীতা শেষে বিজয়ীদের হাতে ক্রেষ্ট ও প্রাইজমানি তুলে দেন হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক ইশরাত জাহানসহ জেলা প্রশাসন ও জেলা ক্রীড়া সংস্থা’র নেতৃবৃন্দ।
এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পলাশ রঞ্জন দে, জেলা শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ রুহুউল্ল্যাহ, হবিগঞ্জ জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহ-সভাপতি ও হবিগঞ্জ প্রেসক্লাব সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহ ফখরুজ্জামান, হবিগঞ্জ জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক বদরুল আলম, হবিগঞ্জ জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য ফেরদৌস আহমেদ প্রমুখ।
এর পুর্বে ফিতা কেটে ঘোড় দৌড় প্রতিযোগীতার উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক ইশরাত জাহান। এসময় এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি বলেন, ঘোড় দৌড় প্রতিযোগীতা গ্রাম বাংলার সাধারণ মানুষের একটা প্রাণের খেলা। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম বার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস ২০২২ উপলক্ষে সাধারণ মানুষদের বিনোদন দিতেই ব্যতিক্রমী এ খেলার আয়োজন করা হয়েছে। আশা করি আগামী আরো বড় পরিসরে এ খেলার আয়োজন করতে পারব।
ঘোড় দৌড় প্রতিযোগীতা দেখতে আসা দর্শনার্থীরা জানান, ঘোড় দৌড় প্রতিযোগীতা এখন আর হয়না। আধুনিকতার কারণে এ খেলাটি প্রায় হারিয়ে যেতে বসেছে। তবে শহরে এমন ব্যতিক্রমী আয়োজন করা হবে আমরা কখনো ভাবতে পারিনি। আমরা ঘোড় প্রতিযোগীতা উপভোগ করিছি। তবে তারা প্রতি বছরই যেন এ খেলার আয়োজন করা হয় সে জন্য প্রশাসনের কাছে দাবী জানান।
চ্যাম্পিয়ন ঘোড়ার মালিক আলাল মিয়া জানান, এখনও ঘোড় দৌড়ের খবর শুণলে মাঠে হাজার হাজার মানুষ জড়ো হয়। এটা আমাদের বাঙালী ঐতিহ্যের একটি অংশ। তাই খেলাটির প্রচলন আমাদেরকেই ধরে রাখতে হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

খন্দকার আলাউদ্দিন

হ্যালো, আমি খন্দকার আলাউদ্দিন, আপনাদের চারিপাশের সংবাদ দিয়ে আমাদের সহযোগিতা করুন।
জনপ্রিয় সংবাদ

আমার স্ত্রী সন্তানদের কোনো সম্পত্তির মালিক হতে দিব না, ব্যারিস্টার সুমন

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম বার্ষিকীতে ঘোড়া দৌড় আয়োজন করেছে হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসন

আপডেট সময় ১১:১০:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ মার্চ ২০২২

হবিগঞ্জে প্রাচীন বাংলার বিনোদন ঐতিহ্যবাহী ঘোড়া দৌড় প্রতিযোগিতা
এক সময় শীত মৌসুমে ঘোড়া দৌড় বেশ জন প্রিয় ছিল। বর্তমানে কালের বিবর্তনে হারি যেতে বসেছে ঘোড়া দৌড়। প্রাচীন বাংলার গ্রামীণ জনপদের অন্যতম বিনোদন ঐতিহ্যবাহী ঘোড়া দৌড়। তবে মাঝেমধ্যে এখনও গ্রামীণ জনপদে এই প্রতিযোগীতার আয়োজন করা হলেও শহর এলাকাগুলো এই প্রতিযোগীতা নেই বললেই চলে। ১৭ই মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম বার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস ২০২২ উপলক্ষে এক ব্যতিক্রমী আয়োজন করেছে হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার বিকেলে হবিগঞ্জ আধুনিক স্টেডিয়ামে এ ঘোড় দৌড় প্রতিযোগীতার আয়োজন করা হয়। আর এই ঐতিহ্যবাহী ঘোড় দৌড়ের খবর শোনে স্টেডিয়াম পাড়ায় জড়ো হয় হাজারো নারী-পুরুষ, তরুণ-তরুণী। এ বারের ব্যতিক্রমধর্মী এই ঘোড় দৌড় প্রতিযোগীতায় অংশ নেয় জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে আসা ১৫টি বিভিন্ন নামের ঘোড়া। হবিগঞ্জ আধুনিক স্টেডিয়ামে ৫ রাউন্ড খেলা শেষে চ্যাম্পিয়ন হয় জেলার নবীগঞ্জ থেকে আসা ‘শাহ জালালের দোয়া’ নামে ঘোড়াটি। যার মালিক আলাল মিয়া। আর ২য় স্থান অধিকার করে একই এলাকার দিলকাছ মিয়ার ঘোড়া ‘মায়ের আদেশ’। ৩য় স্থান অধিকার করে মাধবপুর উপজেলার বাবুল মিয়ার ঘোড়া ‘রঞ্জিত’। প্রতিযোগীতা শেষে বিজয়ীদের হাতে ক্রেষ্ট ও প্রাইজমানি তুলে দেন হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক ইশরাত জাহানসহ জেলা প্রশাসন ও জেলা ক্রীড়া সংস্থা’র নেতৃবৃন্দ।
এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পলাশ রঞ্জন দে, জেলা শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ রুহুউল্ল্যাহ, হবিগঞ্জ জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহ-সভাপতি ও হবিগঞ্জ প্রেসক্লাব সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহ ফখরুজ্জামান, হবিগঞ্জ জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক বদরুল আলম, হবিগঞ্জ জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য ফেরদৌস আহমেদ প্রমুখ।
এর পুর্বে ফিতা কেটে ঘোড় দৌড় প্রতিযোগীতার উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক ইশরাত জাহান। এসময় এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি বলেন, ঘোড় দৌড় প্রতিযোগীতা গ্রাম বাংলার সাধারণ মানুষের একটা প্রাণের খেলা। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম বার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস ২০২২ উপলক্ষে সাধারণ মানুষদের বিনোদন দিতেই ব্যতিক্রমী এ খেলার আয়োজন করা হয়েছে। আশা করি আগামী আরো বড় পরিসরে এ খেলার আয়োজন করতে পারব।
ঘোড় দৌড় প্রতিযোগীতা দেখতে আসা দর্শনার্থীরা জানান, ঘোড় দৌড় প্রতিযোগীতা এখন আর হয়না। আধুনিকতার কারণে এ খেলাটি প্রায় হারিয়ে যেতে বসেছে। তবে শহরে এমন ব্যতিক্রমী আয়োজন করা হবে আমরা কখনো ভাবতে পারিনি। আমরা ঘোড় প্রতিযোগীতা উপভোগ করিছি। তবে তারা প্রতি বছরই যেন এ খেলার আয়োজন করা হয় সে জন্য প্রশাসনের কাছে দাবী জানান।
চ্যাম্পিয়ন ঘোড়ার মালিক আলাল মিয়া জানান, এখনও ঘোড় দৌড়ের খবর শুণলে মাঠে হাজার হাজার মানুষ জড়ো হয়। এটা আমাদের বাঙালী ঐতিহ্যের একটি অংশ। তাই খেলাটির প্রচলন আমাদেরকেই ধরে রাখতে হবে।