হবিগঞ্জ ১১:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo মাধবপুরে সরকারি মাঠের গাছ কাটার অভিযোগ অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন Logo এক রাতে পাশাপাশি ৩ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরি, ঘটনাস্থল পরিদর্শনে সার্কেল এএসপি Logo মিরাশী ইউনিয়নে বিএনপির চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপ্রত্যাশী আব্দুল মনাফ মিয়া Logo জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনে সিলেট বিভাগে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন ইউএনও মেহেদী হাসানের Logo মাদক-অপরাধ দমনে চুনারুঘাটে পুলিশের নজরদারি বাড়ছে Logo ‘অবিচল বিশ্বাসের ৫০ বছর’ উদযাপনে হবিগঞ্জে র‍্যালি ও গ্রাহক সম্মেলন Logo চুনারুঘাট থানায় ১২ দিনে প্রত্যাহার ৪ পুলিশ সদস্য Logo তরুণ আলোকচিত্রী মারুফের ‘বোটানিক্যাল সাইলেন্স’, প্রকৃতির সৌন্দর্যে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি Logo লন্ডনে গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকের জাতীয় সম্মেলন সফল করার আহ্বান Logo চুনারুঘাটে ঘুষের ভিডিও ভাইরাল, এএসআই অতনু প্রত্যাহার

বাহুবলে নির্মাণাধীন ভবনের ছাদের একাংশ ধসে পড়ল, ঠিকাদারের কাজের মান নিয়ে সমালোচনার ঝড়

হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলায় একটি নির্মাণাধীন ভবনের কাজ শেষ হওয়ার আগেই ছাদের একাংশ ধসে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের নির্মাণকাজের মান নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভবনটির ছাদ ঢালাইয়ের পর নির্মাণকাজ চলমান অবস্থায় হঠাৎ করেই ছাদের একটি অংশ ধসে পড়ে। তবে ঘটনাটি ঘটার সময় সেখানে শ্রমিক বা অন্য কেউ না থাকায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার, যথাযথ প্রকৌশলগত নির্দেশনা অনুসরণ না করা, তড়িঘড়ি করে কাজ সম্পন্নের চেষ্টা এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পর্যাপ্ত তদারকির অভাবের কারণেই এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে। তারা বলেন, নির্মাণ শেষ হওয়ার আগেই ভবনের ছাদ ধসে পড়া অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং এটি নির্মাণকাজের মান নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

সচেতন মহলের মতে, সরকারি বা বেসরকারি যেকোনো স্থাপনার নির্মাণকাজে মান নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত না হলে ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে। তাই ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে প্রকৃত কারণ উদঘাটন করা জরুরি।

এলাকাবাসী দ্রুত একটি নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন, নির্মাণকাজের গুণগত মান যাচাই এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা এড়াতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্মাণকাজে নিয়মিত তদারকি জোরদারের আহ্বান জানান তারা।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার ও দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রকৌশলীর বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তদন্ত শেষে তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

খন্দকার আলাউদ্দিন

আপনাদের চারপাশে ঘটে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, অনিয়ম, দুর্নীতি, অপরাধ, জনদুর্ভোগ, উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ও সম্ভাবনার সংবাদ আমাদের জানান।
জনপ্রিয় সংবাদ

মাধবপুরে সরকারি মাঠের গাছ কাটার অভিযোগ অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন

বাহুবলে নির্মাণাধীন ভবনের ছাদের একাংশ ধসে পড়ল, ঠিকাদারের কাজের মান নিয়ে সমালোচনার ঝড়

আপডেট সময় ০৫:৪৩:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলায় একটি নির্মাণাধীন ভবনের কাজ শেষ হওয়ার আগেই ছাদের একাংশ ধসে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের নির্মাণকাজের মান নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভবনটির ছাদ ঢালাইয়ের পর নির্মাণকাজ চলমান অবস্থায় হঠাৎ করেই ছাদের একটি অংশ ধসে পড়ে। তবে ঘটনাটি ঘটার সময় সেখানে শ্রমিক বা অন্য কেউ না থাকায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার, যথাযথ প্রকৌশলগত নির্দেশনা অনুসরণ না করা, তড়িঘড়ি করে কাজ সম্পন্নের চেষ্টা এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পর্যাপ্ত তদারকির অভাবের কারণেই এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে। তারা বলেন, নির্মাণ শেষ হওয়ার আগেই ভবনের ছাদ ধসে পড়া অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং এটি নির্মাণকাজের মান নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

সচেতন মহলের মতে, সরকারি বা বেসরকারি যেকোনো স্থাপনার নির্মাণকাজে মান নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত না হলে ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে। তাই ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে প্রকৃত কারণ উদঘাটন করা জরুরি।

এলাকাবাসী দ্রুত একটি নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন, নির্মাণকাজের গুণগত মান যাচাই এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা এড়াতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্মাণকাজে নিয়মিত তদারকি জোরদারের আহ্বান জানান তারা।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার ও দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রকৌশলীর বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তদন্ত শেষে তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে।