প্রকাশ্যে ঘুষ গ্রহণকে যৌক্তিক দাবি করে মন্তব্য করার একটি বিতর্কিত ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর হবিগঞ্জের চুনারুঘাট থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসাইনকে পুলিশ লাইনে ক্লোজড করা হয়েছে।
সোমবার রাত ৯টার দিকে এ বিষয়ে দৈনিক যুগান্তর সহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পরপরই পুলিশ প্রশাসন এএসআই ইলিয়াস হোসাইনকে হবিগঞ্জ পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করে।
জানা গেছে, প্রায় এক সপ্তাহ আগে উপজেলার রানীগাঁও বাজারে ব্যবসায়ী নোমান মিয়ার করা একটি মামলার তদন্তে যান এএসআই ইলিয়াস হোসাইন। সেখানে উপস্থিত লোকজনের সামনে তাকে প্রকাশ্যে ঘুষ নেওয়ার বিষয়ে মন্তব্য করতে শোনা যায়।
ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, ‘কিছু রটে দেখেই তো কিছু বটে। কথা বুঝছ না? আমি যদি বলি, আমি পুলিশের দারোগা, আমি ঘুষ খাই না, আমি বায়তুল মোকাররমের ইমাম সাহেব—হইব নাকি? আমি পোশাক লাগিয়েছি ঘুষের টাকা দিয়ে, ঘুষ খাওয়ার জন্যই।’
এ সময় স্থানীয় এক ব্যক্তি মোবাইল ফোনে তার ওই বক্তব্যের ভিডিও ধারণ করেন। পরে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়।
ছড়িয়ে পড়া ভিডিওর বিষয়ে জানতে এএসআই মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসাইনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘এ বিষয়ে আমি কিছু জানি না।’ এরপর তিনি মোবাইল ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।
এ বিষয়ে চুনারুঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইফুল ইসলাম জানান, ঘটনার পর পর তাকে রাতেই প্রত্যাহার করা হয়েছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকেও অবগত করেছি। তদন্ত সাপেক্ষে তার বিরুদ্ধে যথাযত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এ বিষয়ে সহকারী পুলিশ সুপার (মাধবপুর সার্কেল) মো. মাফিউর রহমান বলেন, ‘বিষয়টি আমি জেনেছি। এ নিয়ে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষ হলে বিস্তারিত জানাব।’
চুনারুঘাট প্রতিনিধি : 









