হবিগঞ্জ ১১:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo চুনারুঘাটে মোটরসাইকেল-টমটম সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত ১ Logo চুনারুঘাটে ‘ইয়াবা নাটক’ সাজিয়ে গ্রেপ্তারের অভিযোগ ২ পুলিশ ক্লোজ Logo হবিগঞ্জে সেরা গুণী শিক্ষক জহুর চান বিবি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ আল মামুন Logo হবিগঞ্জ জেলা পরিষদ প্রশাসক আহমেদ আলী মুকিবকে রাজসিক সংবর্ধনা দিলেন সৈয়দ মুশফিক আহমেদ Logo চুনারুঘাটে অবৈধ মাটি কাটায় এক্সক্যাভেটর ভাঙচুর, তেল বিক্রেতাকে জরিমানা Logo কুলাউড়ায় কলেজ পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক নির্বাচিত মাজহারুল ইসলাম কুলাউড়া Logo চুনারুঘাটে চা শ্রমিকদের রেইনকোট, হতদরিদ্রদের ঢেউটিন ও শিক্ষার্থীদের হুইলচেয়ার দিলেন এমপি Logo চুনারুঘাটে দেড় কেজি গাঁজাসহ আটক, পুলিশ আসার আগেই পালালেন যুবক Logo চুনারুঘাটের হাজী আলিম উল্লাহ সিনিয়র আলিম মাদ্রাসায় এডহক কমিটি সভাপতি হলেন সাজিদ Logo শায়েস্তাগঞ্জে নাটকের মৌলিক বিষয়ে তিন দিনব্যাপী নাট্য কর্মশালা

চুনারুঘাটে ৬ মাসের গর্ভবতী গৃহবধূকে মারপিট ও যৌতুকের মামলায় স্বামী সুলতান গ্রেফতার

চুনারুঘাটে যৌতুকের দাবীতে ৬ মাসের গর্ভবতী গৃহবধূকে মারপিট মামলায় স্বামী সুলতান হোসেনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গত শুক্রবার গভীর রাতে চুনারুঘাট থানার এসআই ছদরুল আমিনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ উপজেলার শানখলা ইউনিয়নের ডেওয়াতলী গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।

গতকাল শুক্রবার চুনারুঘাট থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন এবং যৌতুক মামলা দায়ের করেন গৃহবধূ রিমা আক্তার। আজ শনিবার দুপুরে সুলতান হোসেন কে পুলিশ আদালতে প্রেরণ করে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, চুনারুঘাট উপজেলার দ্বি-মাগুরুন্ডা গ্রামের মোঃ আলফু মিয়ার মেয়ে রিমা আক্তারের সাথে একই উপেজেলা শানখলা ইউনিয়নের ডেওয়াতলী গ্রামের নবির হোসেন সানুর ছেলে সুলতান হোসেনের সাথে পারিবারিকভাবে দুজনের বিয়ে হয়।

বিয়ের মাস তিন এক যেতে না যেতেই রিমার উপর শুরু হয় যৌতুক লোভী স্বামী ও তার পরিবারের নির্যাতন। এছাড়াও রিমা স্বামী সুলতানসহ শ্বশুর-শাশুড়ি নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে। তাদের বিয়ের ৪ মাস পর সুলতান ফের বিয়ে করে বাড়িতে বউ নিয়ে আসে।

সে দ্বিতীয় বিয়ে করার পর নির্যাতনের মাত্রা দিন দিন আরে বাড়তে থাকে। এতো দিন শুধু সুলতানসহ তার বাবা-মা যৌতুকের জন্য নির্যাতন করত। কিন্তু সে দ্বিতীয় বিয়ে করার পর তার বউকে নিয়ে রিমার উপর নির্যাতন চালাত।

সর্বশেষ গত ৩ এপ্রিল বাড়ির একটি রুমে বন্ধ রেখে নির্যাতন করে স্বামী সুলতান ও তার দ্বিতীয় স্ত্রী। শ্বশুর-শাশুড়ি ও স্বামীর নির্যাতন সইতে না পেরে প্রাণে বাচার জন্য রিমা ৯৯৯ সংক্রান্ত কল করে চুনারুঘাট থানায়।

পরে থানার এসআই ছদরুল আমিন ঘটনাস্থল থেকে আহত অবস্থায় রিমাকে উদ্ধার করে নিয়ে আসেন। পরে ওই গৃহবধূ তার চাচার জিম্মায় দেয়া হয়। পরবর্তীতে রিমা অবস্থা অবনতি হওয়ায় পরিবারের লোকজন চুনারুঘাট হাসপাতালে ভর্তি করেন।

চুনারুঘাট থানার এসআই ছদরুল আমিন গ্রেফতারের বিষয়টি সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন যৌতুকের মামলায় আসামী সুলতা কে গ্রেফতার করে আদালতে প্ররণ করেছি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

খন্দকার আলাউদ্দিন

আপনাদের চারপাশে ঘটে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, অনিয়ম, দুর্নীতি, অপরাধ, জনদুর্ভোগ, উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ও সম্ভাবনার সংবাদ আমাদের জানান।
জনপ্রিয় সংবাদ

চুনারুঘাটে মোটরসাইকেল-টমটম সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত ১

চুনারুঘাটে ৬ মাসের গর্ভবতী গৃহবধূকে মারপিট ও যৌতুকের মামলায় স্বামী সুলতান গ্রেফতার

আপডেট সময় ০৯:৪৮:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪

চুনারুঘাটে যৌতুকের দাবীতে ৬ মাসের গর্ভবতী গৃহবধূকে মারপিট মামলায় স্বামী সুলতান হোসেনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গত শুক্রবার গভীর রাতে চুনারুঘাট থানার এসআই ছদরুল আমিনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ উপজেলার শানখলা ইউনিয়নের ডেওয়াতলী গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।

গতকাল শুক্রবার চুনারুঘাট থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন এবং যৌতুক মামলা দায়ের করেন গৃহবধূ রিমা আক্তার। আজ শনিবার দুপুরে সুলতান হোসেন কে পুলিশ আদালতে প্রেরণ করে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, চুনারুঘাট উপজেলার দ্বি-মাগুরুন্ডা গ্রামের মোঃ আলফু মিয়ার মেয়ে রিমা আক্তারের সাথে একই উপেজেলা শানখলা ইউনিয়নের ডেওয়াতলী গ্রামের নবির হোসেন সানুর ছেলে সুলতান হোসেনের সাথে পারিবারিকভাবে দুজনের বিয়ে হয়।

বিয়ের মাস তিন এক যেতে না যেতেই রিমার উপর শুরু হয় যৌতুক লোভী স্বামী ও তার পরিবারের নির্যাতন। এছাড়াও রিমা স্বামী সুলতানসহ শ্বশুর-শাশুড়ি নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে। তাদের বিয়ের ৪ মাস পর সুলতান ফের বিয়ে করে বাড়িতে বউ নিয়ে আসে।

সে দ্বিতীয় বিয়ে করার পর নির্যাতনের মাত্রা দিন দিন আরে বাড়তে থাকে। এতো দিন শুধু সুলতানসহ তার বাবা-মা যৌতুকের জন্য নির্যাতন করত। কিন্তু সে দ্বিতীয় বিয়ে করার পর তার বউকে নিয়ে রিমার উপর নির্যাতন চালাত।

সর্বশেষ গত ৩ এপ্রিল বাড়ির একটি রুমে বন্ধ রেখে নির্যাতন করে স্বামী সুলতান ও তার দ্বিতীয় স্ত্রী। শ্বশুর-শাশুড়ি ও স্বামীর নির্যাতন সইতে না পেরে প্রাণে বাচার জন্য রিমা ৯৯৯ সংক্রান্ত কল করে চুনারুঘাট থানায়।

পরে থানার এসআই ছদরুল আমিন ঘটনাস্থল থেকে আহত অবস্থায় রিমাকে উদ্ধার করে নিয়ে আসেন। পরে ওই গৃহবধূ তার চাচার জিম্মায় দেয়া হয়। পরবর্তীতে রিমা অবস্থা অবনতি হওয়ায় পরিবারের লোকজন চুনারুঘাট হাসপাতালে ভর্তি করেন।

চুনারুঘাট থানার এসআই ছদরুল আমিন গ্রেফতারের বিষয়টি সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন যৌতুকের মামলায় আসামী সুলতা কে গ্রেফতার করে আদালতে প্ররণ করেছি।