হবিগঞ্জ ০২:৪৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo আমি পোশাক লাগিয়েছি ঘুষের টাকা দিয়ে, ঘুষ খাওয়ার জন্যই-এএসআই ইলিয়াছ Logo সৌদিতে নির্যাতনের শিকার গৃহবধূ রেহেনার দেশে ফেরার আকুতি Logo চুনারুঘাটে সাহিত্য-সংস্কৃতির উন্নয়নে সরকারের সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস Logo চুনারুঘাটে মুক্তিযোদ্ধা নুরুল হকের ঘরবাড়ি ও জমি দখলের অভিযোগ Logo চুনারুঘাট সাহিত্য-সংস্কৃতি পরিষদের ৩৭তম বর্ষ উদযাপন Logo পাখি শিকারি সেই বদু মিয়ার বাড়িতে বন বিভাগ: ৩ বছর ধরে স্বামী স্ত্রীর অভিমান অবসান ! Logo মাধবপুরে শাহজাহানপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে নতুন চারতলা ভবনের নির্মাণকাজ উদ্বোধন Logo চার বছর ধরে বেতন-ভাতা বঞ্চিত চৌমুহনী খুর্শিদ হাইস্কুল-কলেজের ৩২ শিক্ষক-কর্মচারী Logo চুনারুঘাটে মোটরসাইকেল-টমটম সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত ১ Logo চুনারুঘাটে ‘ইয়াবা নাটক’ সাজিয়ে গ্রেপ্তারের অভিযোগ ২ পুলিশ ক্লোজ

বাহুবল হাসপাতালের বাবুর্চির বিরুদ্ধে রান্নাঘরের দর্জা বন্ধ করে নিরীহ এক ব্যক্তিকে মারধোরের অভিযোগ

বাহুবল হাসপাতালের বাবুর্চি মোঃ আবু লেইছের বিরুদ্ধে রান্নাঘরের দর্জা বন্ধ করে স্থানীয় নিরীহ বজলু মিয়া নামে এক ব্যক্তিকে মারধোরের অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল রবিবার রাত প্রায় ৭ টার দিকে হাসপাতালের রান্নাঘরে।

হাসপাতাল ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন যাবত বাহুবল হাসপাতালে বাবুর্চির কাজ করে আসছেন আবু লেইছ নামে এক ব্যক্তি।তিনি প্রায় সময়ই হাসপাতালে রোগীদের জন্য রান্নার কাজ বিভিন্ন লোক দিয়ে করে থাকেন।

প্রতিদিনের মতো গতকালও রান্নার কাজ করানোর কথা বলে বরইউড়ি গ্রামের মৃত কাছন মিয়ার ছেলে বজলু মিয়া(৩০)কে খবর দিয়ে নিয়ে আসেন।কাজ শেষ হওয়ার পর বজলু মিয়া বকেয়া টাকা চাইতে গেলে তার সাথে কথা-কাটাকাটি শুরু করে আবু লেইছ।

এক পর্যায়ে বজলু মিয়াকে আবু লেইছ মিয়া ও তার ছেলে আবু সাঈদ হাসপাতালের রান্নাঘরের দর্জা বন্ধ করে মারধোর শুরু করেন।এসময় বজলু মিয়ার শোর-চিৎকার শুনে হাসপাতালের স্টাফ ও আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে আহত অবস্থায় বজলু মিয়াকে বাবুর্চি আবু লেইছ ও তার ছেলে আবু সাঈদের বন্দিদশা থেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে চিকিৎসা করানো হয়।

এব্যাপারে ভুক্তভোগী বজলু মিয়ার ভাই ফজলু মিয়ার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, বাবুর্চি আবু লেইছ সম্পর্কে আমাদের বোন জামাইহয়,সে গতকাল বিকেলে আমার বড় ভাই বজলু মিয়াকে হাসপাতালের রান্নার কথা বলে খবর দিয়ে নিয়ে আসে।

আমার ভাই কাজ শেষ হওয়ার পর বকেয়া টাকা সহ দৈনিক মজুরির টাকা চাইতে গেলে তাকে আবু লেইছ ও তার ছেলে আবু সাঈদ মিলে হাসপাতালের রান্নাঘরের দর্জা বন্ধ করে হত্যার উদ্দেশ্য মারধোর করে। সে বাঁচার জন্য শোর-চিৎকার শুরু করলে বিভিন্ন তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে চিকিৎসা করান।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাক্তার মোঃ মিজানুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ঘটনাটি শুনেছি আহত বজলু মিয়াকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

খন্দকার আলাউদ্দিন

আপনাদের চারপাশে ঘটে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, অনিয়ম, দুর্নীতি, অপরাধ, জনদুর্ভোগ, উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ও সম্ভাবনার সংবাদ আমাদের জানান।

আমি পোশাক লাগিয়েছি ঘুষের টাকা দিয়ে, ঘুষ খাওয়ার জন্যই-এএসআই ইলিয়াছ

বাহুবল হাসপাতালের বাবুর্চির বিরুদ্ধে রান্নাঘরের দর্জা বন্ধ করে নিরীহ এক ব্যক্তিকে মারধোরের অভিযোগ

আপডেট সময় ১২:৩৭:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

বাহুবল হাসপাতালের বাবুর্চি মোঃ আবু লেইছের বিরুদ্ধে রান্নাঘরের দর্জা বন্ধ করে স্থানীয় নিরীহ বজলু মিয়া নামে এক ব্যক্তিকে মারধোরের অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল রবিবার রাত প্রায় ৭ টার দিকে হাসপাতালের রান্নাঘরে।

হাসপাতাল ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন যাবত বাহুবল হাসপাতালে বাবুর্চির কাজ করে আসছেন আবু লেইছ নামে এক ব্যক্তি।তিনি প্রায় সময়ই হাসপাতালে রোগীদের জন্য রান্নার কাজ বিভিন্ন লোক দিয়ে করে থাকেন।

প্রতিদিনের মতো গতকালও রান্নার কাজ করানোর কথা বলে বরইউড়ি গ্রামের মৃত কাছন মিয়ার ছেলে বজলু মিয়া(৩০)কে খবর দিয়ে নিয়ে আসেন।কাজ শেষ হওয়ার পর বজলু মিয়া বকেয়া টাকা চাইতে গেলে তার সাথে কথা-কাটাকাটি শুরু করে আবু লেইছ।

এক পর্যায়ে বজলু মিয়াকে আবু লেইছ মিয়া ও তার ছেলে আবু সাঈদ হাসপাতালের রান্নাঘরের দর্জা বন্ধ করে মারধোর শুরু করেন।এসময় বজলু মিয়ার শোর-চিৎকার শুনে হাসপাতালের স্টাফ ও আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে আহত অবস্থায় বজলু মিয়াকে বাবুর্চি আবু লেইছ ও তার ছেলে আবু সাঈদের বন্দিদশা থেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে চিকিৎসা করানো হয়।

এব্যাপারে ভুক্তভোগী বজলু মিয়ার ভাই ফজলু মিয়ার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, বাবুর্চি আবু লেইছ সম্পর্কে আমাদের বোন জামাইহয়,সে গতকাল বিকেলে আমার বড় ভাই বজলু মিয়াকে হাসপাতালের রান্নার কথা বলে খবর দিয়ে নিয়ে আসে।

আমার ভাই কাজ শেষ হওয়ার পর বকেয়া টাকা সহ দৈনিক মজুরির টাকা চাইতে গেলে তাকে আবু লেইছ ও তার ছেলে আবু সাঈদ মিলে হাসপাতালের রান্নাঘরের দর্জা বন্ধ করে হত্যার উদ্দেশ্য মারধোর করে। সে বাঁচার জন্য শোর-চিৎকার শুরু করলে বিভিন্ন তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে চিকিৎসা করান।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাক্তার মোঃ মিজানুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ঘটনাটি শুনেছি আহত বজলু মিয়াকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।