হবিগঞ্জ ০৫:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo চুনারুঘাটে পার্টনার কংগ্রেসে পুষ্টি, উদ্যোক্তা উন্নয়ন ও কৃষি খাতের অগ্রগতি নিয়ে মতবিনিময় Logo সংবাদপত্রের কালো দিবস উপলক্ষে পিআইবির আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন Logo চুনারুঘাটের কৃতি সন্তান স্বপন তরফদার বিজিবির সহকারী পরিচালক পদে পদন্নোতি পেলেন Logo চুনারুঘাটে খোয়াই নদীতে গোসল করতে গিয়ে ২দিন ধরে বৃদ্ধ নিখোঁজ Logo চুনারুঘাটে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন ডিসি জি. এম. সরফরাজ Logo চুনারুঘাটে খোয়াই নদীর ভাঙন রোধে জিও ব্যাগ স্থাপন কাজের উদ্বোধন করলেন ডিসি সরফরাজ Logo চুনারুঘাটে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন Logo চুনারুঘাটে বিএসএফের অবৈধ পুশইনের প্রতিবাদে ১১ দলীয় ঐক্য জোটের মানববন্ধন Logo চুনারুঘাটের কাজিরখিল বাজারে গ্রাম আদালতের বার্ষিক ক্যাম্পেইন Logo চুনারুঘাটে যাত্রা শুরু করল সিগনেচার ক্যাফে এন্ড বিস্ট্রোর নতুন স্ন্যাকস কর্নার

তেল-পেঁয়াজ থেকে শুরু করে নিত্যপণ্যের উচ্চ দামে নাভিশ্বাস

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৬:০২:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ মার্চ ২০২২
  • ৩৫৫ বার পড়া হয়েছে

বর্তমান সময়ে তেল-পেঁয়াজ থেকে শুরু করে নিত্যপণ্যের উচ্চ দামে নাভিশ্বাস উঠেছে। এমন অবস্থা হয়েছে যে জনসাধারনের ক্রয় ক্ষমাতার বাহিরে চলে গেছে। কয়েক সপ্তাহ ধরে সবজির বাজারেও চলছে অস্থিরতা। সবজির বাজার নিয়ে এ সপ্তাহেও স্বস্তি মেলেনি ক্রেতাদের।

সবজির বাজারের অস্থিরতা নিয়ে বিক্রেতারা বলছেন, পরিবহনের খরচ বেড়ে যাওয়ায় রোজার আগেই সবজি বাজারে অস্থিরতা চলছে। যা রোজা শুরু হলে আরও বাড়তে পারে। প্রতি সপ্তাহে কোনো না কোনো সবজির দাম বেড়েই চলছে।

অন্যদিকে ক্রেতারা বলছেন, কোনো বাজারেই তারা স্বস্তির নিশ্বাস ফেলতে পারছেন না। সবজির বাজারে কিছুটা স্থিতিশীলতা আশা করলেও অন্যসব নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মতো সবজির বাজারের অস্থিরতাও তাদের নাভিশ্বাস বাড়িয়ে তুলছে।

আজ শুক্রবার (১১ মার্চ) সকালে রাজধানীর উত্তরবাড্ডা ও শাহজাদপুর কাঁচাবাজার ঘুরে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা যায়।

সর্বশেষ খুচরা বাজারের তথ্য অনুযায়ী, বিচিযুক্ত শিম গত সপ্তাহে ৫০ টাকা বিক্রি হলেও চলতি সপ্তাহে বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা কেজি দরে, বিচি ছাড়া শিম ৪০-৪৫ টাকা, কয়েক সপ্তাহে আগে ১৬ টাকা কেজি দরে বিক্রি হওয়া আলু এখন ২০ টাকা। রোজার শুরু আগেই কাঁচামরিচ ও ধনিয়াপাতা পৌঁছেছে কেজিপ্রতি ৮০ টাকায়। টমেটো মান অনুযায়ী ৪০-৫০ টাকা কেজি, মান ও আকার অনুযায়ী বেগুন কেজিপ্রতি ৫০-৬০ টাকা বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে, গত সপ্তাহে মাঝারি সাইজের লাউ প্রতিটি ৬০ টাকা করে বিক্রি হলেও এখন বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা করে, লেবুর হালি ৪০ টাকার থেকে ৫০ টাকায় পৌঁছেছে। ফুলকপি প্রতিটি ৫০ টাকা, বরবটি মান অনুযায়ী ৮০-১২০ টাকা কেজি, ঝিঙ্গা কেজিপ্রতি ৬০ টাকা, চিচিঙ্গা ১০০ টাকা কেজি, উস্তের কেজি ১২০ টাকা, শসা কেজিপ্রতি ৬০ ও করলা ১৪০ টাকা কেজি করে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া কাঁচকলা হালি প্রতি ৪০, এক মুঠো লাল ও পালংক শাক ১০-১৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

শাহজাদপুরের কাঁচাবাজারে সবজি বিক্রেতা মো. সবুজ বলেন, সবজির সরবরাহ ঠিক আছে। বাজারে প্রচুর সবজি রয়েছে। তবে বিষয় হচ্ছে যে, জমি থেকে সরাসরি সবজি খুচরা বাজারে আসে না। দুই-তিন হাত ঘুরে সবজি খুচরা বাজারে আসে। ওই ২-৩ হাত ঘুরার সময়ই সবজির দাম বেড়ে যায়। পাইকারি ব্যবসায়ীরা আমাদের বলছেন, এখন নাকি পরিবহন খরচ বৃদ্ধি পেয়েছে, তাই দাম বেশি।

উত্তরবাড্ডা কাঁচাবাজারে সবজি বিক্রেতা মো. আনোয়ার বলেন, এই অস্থিরতা শেষ এখানেই শেষ নয়, রোজার শুরুতে সবজি বাজারের অস্থিরতা আরও দেখা যাবে। বিশেষ করে কাঁচামরিচ, ধনিয়াপাতা থেকে শুরু করে সালাদে ব্যবহার হওয়া সব সবজির দাম আরও বাড়বে। এছাড়া বেগুন ও আলুর দামে বৃদ্ধির আশংকা রয়েছে।

শাহজাদপুর কাঁচাবাজারে বাজার করতে আসা শাহআলম শেখ বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় এমন একটা পণ্যও নেই যার দাম বাড়তি নয়। আবার সামনে রোজার মাস। ওই সময়েও ব্যবসায়ীরা নানা অপকৌশলে দাম বাড়িয়ে দেবে। এভাবে বাজারের অস্থিরতা চলছে, কিন্তু বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারি কোনো পদক্ষেপ নেই।

সূত্র: নয়া শতাব্দী

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

খন্দকার আলাউদ্দিন

হ্যালো, আমি খন্দকার আলাউদ্দিন, আপনাদের চার পাশের সংবাদ দিয়ে আমাদের সহযোগিতা করুন।
জনপ্রিয় সংবাদ

চুনারুঘাটে পার্টনার কংগ্রেসে পুষ্টি, উদ্যোক্তা উন্নয়ন ও কৃষি খাতের অগ্রগতি নিয়ে মতবিনিময়

তেল-পেঁয়াজ থেকে শুরু করে নিত্যপণ্যের উচ্চ দামে নাভিশ্বাস

আপডেট সময় ০৬:০২:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ মার্চ ২০২২

বর্তমান সময়ে তেল-পেঁয়াজ থেকে শুরু করে নিত্যপণ্যের উচ্চ দামে নাভিশ্বাস উঠেছে। এমন অবস্থা হয়েছে যে জনসাধারনের ক্রয় ক্ষমাতার বাহিরে চলে গেছে। কয়েক সপ্তাহ ধরে সবজির বাজারেও চলছে অস্থিরতা। সবজির বাজার নিয়ে এ সপ্তাহেও স্বস্তি মেলেনি ক্রেতাদের।

সবজির বাজারের অস্থিরতা নিয়ে বিক্রেতারা বলছেন, পরিবহনের খরচ বেড়ে যাওয়ায় রোজার আগেই সবজি বাজারে অস্থিরতা চলছে। যা রোজা শুরু হলে আরও বাড়তে পারে। প্রতি সপ্তাহে কোনো না কোনো সবজির দাম বেড়েই চলছে।

অন্যদিকে ক্রেতারা বলছেন, কোনো বাজারেই তারা স্বস্তির নিশ্বাস ফেলতে পারছেন না। সবজির বাজারে কিছুটা স্থিতিশীলতা আশা করলেও অন্যসব নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মতো সবজির বাজারের অস্থিরতাও তাদের নাভিশ্বাস বাড়িয়ে তুলছে।

আজ শুক্রবার (১১ মার্চ) সকালে রাজধানীর উত্তরবাড্ডা ও শাহজাদপুর কাঁচাবাজার ঘুরে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা যায়।

সর্বশেষ খুচরা বাজারের তথ্য অনুযায়ী, বিচিযুক্ত শিম গত সপ্তাহে ৫০ টাকা বিক্রি হলেও চলতি সপ্তাহে বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা কেজি দরে, বিচি ছাড়া শিম ৪০-৪৫ টাকা, কয়েক সপ্তাহে আগে ১৬ টাকা কেজি দরে বিক্রি হওয়া আলু এখন ২০ টাকা। রোজার শুরু আগেই কাঁচামরিচ ও ধনিয়াপাতা পৌঁছেছে কেজিপ্রতি ৮০ টাকায়। টমেটো মান অনুযায়ী ৪০-৫০ টাকা কেজি, মান ও আকার অনুযায়ী বেগুন কেজিপ্রতি ৫০-৬০ টাকা বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে, গত সপ্তাহে মাঝারি সাইজের লাউ প্রতিটি ৬০ টাকা করে বিক্রি হলেও এখন বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা করে, লেবুর হালি ৪০ টাকার থেকে ৫০ টাকায় পৌঁছেছে। ফুলকপি প্রতিটি ৫০ টাকা, বরবটি মান অনুযায়ী ৮০-১২০ টাকা কেজি, ঝিঙ্গা কেজিপ্রতি ৬০ টাকা, চিচিঙ্গা ১০০ টাকা কেজি, উস্তের কেজি ১২০ টাকা, শসা কেজিপ্রতি ৬০ ও করলা ১৪০ টাকা কেজি করে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া কাঁচকলা হালি প্রতি ৪০, এক মুঠো লাল ও পালংক শাক ১০-১৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

শাহজাদপুরের কাঁচাবাজারে সবজি বিক্রেতা মো. সবুজ বলেন, সবজির সরবরাহ ঠিক আছে। বাজারে প্রচুর সবজি রয়েছে। তবে বিষয় হচ্ছে যে, জমি থেকে সরাসরি সবজি খুচরা বাজারে আসে না। দুই-তিন হাত ঘুরে সবজি খুচরা বাজারে আসে। ওই ২-৩ হাত ঘুরার সময়ই সবজির দাম বেড়ে যায়। পাইকারি ব্যবসায়ীরা আমাদের বলছেন, এখন নাকি পরিবহন খরচ বৃদ্ধি পেয়েছে, তাই দাম বেশি।

উত্তরবাড্ডা কাঁচাবাজারে সবজি বিক্রেতা মো. আনোয়ার বলেন, এই অস্থিরতা শেষ এখানেই শেষ নয়, রোজার শুরুতে সবজি বাজারের অস্থিরতা আরও দেখা যাবে। বিশেষ করে কাঁচামরিচ, ধনিয়াপাতা থেকে শুরু করে সালাদে ব্যবহার হওয়া সব সবজির দাম আরও বাড়বে। এছাড়া বেগুন ও আলুর দামে বৃদ্ধির আশংকা রয়েছে।

শাহজাদপুর কাঁচাবাজারে বাজার করতে আসা শাহআলম শেখ বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় এমন একটা পণ্যও নেই যার দাম বাড়তি নয়। আবার সামনে রোজার মাস। ওই সময়েও ব্যবসায়ীরা নানা অপকৌশলে দাম বাড়িয়ে দেবে। এভাবে বাজারের অস্থিরতা চলছে, কিন্তু বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারি কোনো পদক্ষেপ নেই।

সূত্র: নয়া শতাব্দী