হবিগঞ্জ ০২:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo আমি পোশাক লাগিয়েছি ঘুষের টাকা দিয়ে, ঘুষ খাওয়ার জন্যই-এএসআই ইলিয়াছ Logo সৌদিতে নির্যাতনের শিকার গৃহবধূ রেহেনার দেশে ফেরার আকুতি Logo চুনারুঘাটে সাহিত্য-সংস্কৃতির উন্নয়নে সরকারের সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস Logo চুনারুঘাটে মুক্তিযোদ্ধা নুরুল হকের ঘরবাড়ি ও জমি দখলের অভিযোগ Logo চুনারুঘাট সাহিত্য-সংস্কৃতি পরিষদের ৩৭তম বর্ষ উদযাপন Logo পাখি শিকারি সেই বদু মিয়ার বাড়িতে বন বিভাগ: ৩ বছর ধরে স্বামী স্ত্রীর অভিমান অবসান ! Logo মাধবপুরে শাহজাহানপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে নতুন চারতলা ভবনের নির্মাণকাজ উদ্বোধন Logo চার বছর ধরে বেতন-ভাতা বঞ্চিত চৌমুহনী খুর্শিদ হাইস্কুল-কলেজের ৩২ শিক্ষক-কর্মচারী Logo চুনারুঘাটে মোটরসাইকেল-টমটম সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত ১ Logo চুনারুঘাটে ‘ইয়াবা নাটক’ সাজিয়ে গ্রেপ্তারের অভিযোগ ২ পুলিশ ক্লোজ

চুনারুঘাটে ১৪৪ ধারা অমান্য করে দোকান দখলের চেষ্টা

চুনারুঘাট উপজেলার দুর্গাপুর বাজারে আদালতের জারি করা ১৪৪ ধারার নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জোরপূর্বক ইকবাল হোসেন নামের এক নাবালকের সম্পত্তি দখলের অভিযোগ উঠেছে। ১৬ এপ্রিল জোরপূর্বক নির্মাণ শ্রমিক দের কে নিয়ে বিরোধীয় ভূমিতে দোকান নির্মাণ কাজ চালান অভিযুক্ত কামাল উদ্দিন, আরজু মিয়া গং রা। মামলা সুত্রে জানা যায়, ইকবাল হোসেন নামে ওই নাবালক চুনারুঘাট উপজেলার রঘুরামপুর গ্রামের মৃত হাজী আবুল হাসানের পুত্র। আবুল হোসেন মৃত্যুর আগে তার নাবালক পুত্র ইকবাল হোসেনের নামে রঘুরামপুর মৌজায় একটি স্থানে ৩ দাগে ১৯ শতক ও আরেকটি স্থানে বিভিন্ন দাগে ৩ শত ৩৮ শতক জমি হেবা করে দেন। এরমধ্যে উনিশ শতক জমি দুর্গাপুর বাজারে অবস্থিত। নাবালকের নামে থাকা মুল্যবান ওই জমিটি গায়ের জোরে হাতিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য বিভিন্নভাবে পাঁয়তারা করে আসছেন ইকবাল হোসেন এর নিকট আত্মীয় কামাল উদ্দিন, আরজু মিয়া, মানিক মিয়া, রায়হান মিয়া, রাজা মিয়া ও আব্দুল জলিল। এ অবস্থায় নাবালক ইকবাল হোসেনের মা মোছাঃ মিনারা খাতুন হবিগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা চলাকালীন বাদীর আবেদনের প্রেক্ষিতে উল্লেখিত ভূমিতে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা ও আদালতের নির্দেশ ব্যতীত ওই ভূমিতে বিবাদীগন কোন রকম পরিবর্তন, নির্মাণ, খনন কাজ সহ প্রবেশ করতে পারবেন না বলে আদালতের আদেশের প্রেক্ষিতে চুনারুঘাট থানার এএসআই উত্তম কুমার গোপ ৮ এপ্রিল ১৪৪ ধারায় নোটিশ প্রদান করেন। কিন্তু ১৬ এপ্রিল হঠাৎই বিবাদীরা নির্মাণশ্রমিকদের কে নিয়ে ওই জায়গায় নির্মাণ কাজ চালানোর জন্য খনন করা শুরু করেন বলে অভিযোগ করেন বাদী মিনারা খাতুন। এ বিষয়ে জানতে চুনারুঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ এম আলী আশরাফের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, বিষয়টি আমি অবগত রয়েছি এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

খন্দকার আলাউদ্দিন

আপনাদের চারপাশে ঘটে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, অনিয়ম, দুর্নীতি, অপরাধ, জনদুর্ভোগ, উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ও সম্ভাবনার সংবাদ আমাদের জানান।

আমি পোশাক লাগিয়েছি ঘুষের টাকা দিয়ে, ঘুষ খাওয়ার জন্যই-এএসআই ইলিয়াছ

চুনারুঘাটে ১৪৪ ধারা অমান্য করে দোকান দখলের চেষ্টা

আপডেট সময় ০১:৫৪:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২২

চুনারুঘাট উপজেলার দুর্গাপুর বাজারে আদালতের জারি করা ১৪৪ ধারার নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জোরপূর্বক ইকবাল হোসেন নামের এক নাবালকের সম্পত্তি দখলের অভিযোগ উঠেছে। ১৬ এপ্রিল জোরপূর্বক নির্মাণ শ্রমিক দের কে নিয়ে বিরোধীয় ভূমিতে দোকান নির্মাণ কাজ চালান অভিযুক্ত কামাল উদ্দিন, আরজু মিয়া গং রা। মামলা সুত্রে জানা যায়, ইকবাল হোসেন নামে ওই নাবালক চুনারুঘাট উপজেলার রঘুরামপুর গ্রামের মৃত হাজী আবুল হাসানের পুত্র। আবুল হোসেন মৃত্যুর আগে তার নাবালক পুত্র ইকবাল হোসেনের নামে রঘুরামপুর মৌজায় একটি স্থানে ৩ দাগে ১৯ শতক ও আরেকটি স্থানে বিভিন্ন দাগে ৩ শত ৩৮ শতক জমি হেবা করে দেন। এরমধ্যে উনিশ শতক জমি দুর্গাপুর বাজারে অবস্থিত। নাবালকের নামে থাকা মুল্যবান ওই জমিটি গায়ের জোরে হাতিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য বিভিন্নভাবে পাঁয়তারা করে আসছেন ইকবাল হোসেন এর নিকট আত্মীয় কামাল উদ্দিন, আরজু মিয়া, মানিক মিয়া, রায়হান মিয়া, রাজা মিয়া ও আব্দুল জলিল। এ অবস্থায় নাবালক ইকবাল হোসেনের মা মোছাঃ মিনারা খাতুন হবিগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা চলাকালীন বাদীর আবেদনের প্রেক্ষিতে উল্লেখিত ভূমিতে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা ও আদালতের নির্দেশ ব্যতীত ওই ভূমিতে বিবাদীগন কোন রকম পরিবর্তন, নির্মাণ, খনন কাজ সহ প্রবেশ করতে পারবেন না বলে আদালতের আদেশের প্রেক্ষিতে চুনারুঘাট থানার এএসআই উত্তম কুমার গোপ ৮ এপ্রিল ১৪৪ ধারায় নোটিশ প্রদান করেন। কিন্তু ১৬ এপ্রিল হঠাৎই বিবাদীরা নির্মাণশ্রমিকদের কে নিয়ে ওই জায়গায় নির্মাণ কাজ চালানোর জন্য খনন করা শুরু করেন বলে অভিযোগ করেন বাদী মিনারা খাতুন। এ বিষয়ে জানতে চুনারুঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ এম আলী আশরাফের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, বিষয়টি আমি অবগত রয়েছি এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।