হবিগঞ্জ ০৯:০৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo চুনারুঘাটে চা শ্রমিকদের রেইনকোট, হতদরিদ্রদের ঢেউটিন ও শিক্ষার্থীদের হুইলচেয়ার দিলেন এমপি Logo চুনারুঘাটে দেড় কেজি গাঁজাসহ আটক, পুলিশ আসার আগেই পালালেন যুবক Logo চুনারুঘাটের হাজী আলিম উল্লাহ সিনিয়র আলিম মাদ্রাসায় এডহক কমিটি সভাপতি হলেন সাজিদ Logo শায়েস্তাগঞ্জে নাটকের মৌলিক বিষয়ে তিন দিনব্যাপী নাট্য কর্মশালা Logo চুনারুঘাটের রাজার বাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা Logo শিক্ষার্থীদের পরিবহন সুবিধায় হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে বাস সেবা চালু Logo হুইলচেয়ারেই কাটে প্রধান শিক্ষক কল্যাণ কুমার দেবের জীবন Logo চুনারুঘাটে উলামা পরিষদের উদ্যোগে সীরাত মাহফিল ও হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা Logo চুনারুঘাটে প্রবাসী পরিবারের ওপর হামলার ঘটনায় ছায়েদ আলী সহ গ্রেপ্তার ৩ Logo শায়েস্তাগঞ্জের বিশাউড়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে এফএন ফাউন্ডেশন ইউকে’র উদ্যোগে সিলিং ফ্যান বিতরণ

বানিয়াচংয়ে গাছে গাছে শোভা পাচ্ছে জাতীয় ফল কাঁঠাল

বানিয়াচংয়ে গাছে গাছে শোভা পাচ্ছে জাতীয় ফল কাঁঠাল। গ্রীষ্মকালীন মৌসুমের অন্যতম ও জনপ্রিয় ফল হলো কাঁঠাল। উপজেলা সদরের স্হানীয় বাজারগুলোতে এখন পর্যন্ত কাঁঠাল না দেখা গেলে ও আগামী এক-দেড় মাসের মধ্যে বাজারে কাঁঠালের কেনা-বেচার ধুম পড়বে বলে জানিয়েছেন স্হানীয় ফল ব্যবসায়ীরা।চিকিৎসকদের মতে, কাঁঠালে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ভিটামিন-সি, ভিটামিন-বি, ভিটামিন-ই, ক্যালসিয়াম, ফলিক এসিড রয়েছে। টাটকা ফল পটাশিয়াম, ম্যাগনোশিয়াম এবং আয়রনের একটি ভাল উৎস। পাঁকা কাঁঠালে প্রচুর পরিমাণ আঁশ রয়েছে। ফলে পাঁকা কাঁঠাল খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য হওয়া থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। সকল বয়সী মানুষই কমবেশি কাঁঠাল খেতে পছন্দ করে। কাঁঠালের বিচি (বীজ) প্রোটিন সমৃদ্ধ এবং পুষ্টিকর। এর বিচি মাংস ও সবজির সঙ্গে রান্না করে খাওয়া যায়।কাঁঠাল মিষ্টি রসালো ও স্বাদে অতুলনীয় হওয়ায় বাজারে এর চাহিদা অনেক।সামনে পহেলা বৈশাখ ও রমজান কে সামনে রেখে বেশ চাহিদা ও রয়েছে এই মৌসুমি ফল কাঁঠালের। সরেজমিনে বানিয়াচং উপজেলা সদরের আমিরখানী,চানপাড়া,কুতুবখানী,শেখেরমহল্লাসহ উপজেলার অধিকাংশ এলাকা ঘুরে দেখা গেছে বাড়ির আঙ্গিনায় এবং বাণিজ্যিক উদ্দ্যেশ্যে পরিকল্পিতভাবে সৃজন করা হয়েছে জাতীয় ফল কাঁঠাল বাগান। এক একটি গাছে ৩০-১০০টির মতো কাঁঠাল রয়েছে। কাঁঠাল গাছগুলো যেনো এক প্রকার প্রকৃতির রুপ দিয়ে সাজানো হয়েছে।বৃষ্টির কারণে ফল বড় হতে না পারলেও এখন পর্যন্ত গাছে কাঁঠালের যে অবস্থা দেখা যাচ্ছে তাতে কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ না ঘটলে ফলন ভাল হবে বলে মনে করছেন বাগান মালিকরা।যদিও এখনও পাঁকা কাঁঠাল বাজারে আসতে শুরু করেনি তারপরও এক মাস পরেই লোভনীয় কাঁঠাল ফলের গন্ধে মুখরিত হয়ে উঠবে স্থানীয় হাট-বাজার গুলো।এ ব্যাপারে স্হানীয় কাঁঠাল ব্যবসায়ী জুয়েল মিয়া জানান,বৃষ্টির অনুপস্থিতিতে বিগত বছরের তুলনায় গাছে কাঁঠাল কম ধরেছে।প্রতিটি গাছে গড়ে ৩০-৯০ টি কাঁঠাল ধরেছে।কাঁঠালগুলো পাকতে আরো মাসেক-দেড়েক লাগবে।প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে কাঁঠালগুলো বেশ ভালো দামেই বিক্রি করতে পারব বলে জানিয়েছেন তিনি।এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এনামুল হক বলেন,জাতীয় ফল কাঁঠাল উৎপাদনে খরচ খুবই কম। নির্ধারিত সময় গাছের পরিচর্চা যেমন-আগাছা পরিস্কার,গাছের নিচে উর্বর মাটি দেওয়া,এবং ফল আসার পর একটু দেখাশুনা করলেই চলে।তাছাড়া উপজেলা কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে চাষিদেরকে সার্বিকভাবে পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

খন্দকার আলাউদ্দিন

আপনাদের চারপাশে ঘটে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, অনিয়ম, দুর্নীতি, অপরাধ, জনদুর্ভোগ, উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ও সম্ভাবনার সংবাদ আমাদের জানান।
জনপ্রিয় সংবাদ

চুনারুঘাটে চা শ্রমিকদের রেইনকোট, হতদরিদ্রদের ঢেউটিন ও শিক্ষার্থীদের হুইলচেয়ার দিলেন এমপি

বানিয়াচংয়ে গাছে গাছে শোভা পাচ্ছে জাতীয় ফল কাঁঠাল

আপডেট সময় ০৭:৩৪:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ মার্চ ২০২২

বানিয়াচংয়ে গাছে গাছে শোভা পাচ্ছে জাতীয় ফল কাঁঠাল। গ্রীষ্মকালীন মৌসুমের অন্যতম ও জনপ্রিয় ফল হলো কাঁঠাল। উপজেলা সদরের স্হানীয় বাজারগুলোতে এখন পর্যন্ত কাঁঠাল না দেখা গেলে ও আগামী এক-দেড় মাসের মধ্যে বাজারে কাঁঠালের কেনা-বেচার ধুম পড়বে বলে জানিয়েছেন স্হানীয় ফল ব্যবসায়ীরা।চিকিৎসকদের মতে, কাঁঠালে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ভিটামিন-সি, ভিটামিন-বি, ভিটামিন-ই, ক্যালসিয়াম, ফলিক এসিড রয়েছে। টাটকা ফল পটাশিয়াম, ম্যাগনোশিয়াম এবং আয়রনের একটি ভাল উৎস। পাঁকা কাঁঠালে প্রচুর পরিমাণ আঁশ রয়েছে। ফলে পাঁকা কাঁঠাল খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য হওয়া থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। সকল বয়সী মানুষই কমবেশি কাঁঠাল খেতে পছন্দ করে। কাঁঠালের বিচি (বীজ) প্রোটিন সমৃদ্ধ এবং পুষ্টিকর। এর বিচি মাংস ও সবজির সঙ্গে রান্না করে খাওয়া যায়।কাঁঠাল মিষ্টি রসালো ও স্বাদে অতুলনীয় হওয়ায় বাজারে এর চাহিদা অনেক।সামনে পহেলা বৈশাখ ও রমজান কে সামনে রেখে বেশ চাহিদা ও রয়েছে এই মৌসুমি ফল কাঁঠালের। সরেজমিনে বানিয়াচং উপজেলা সদরের আমিরখানী,চানপাড়া,কুতুবখানী,শেখেরমহল্লাসহ উপজেলার অধিকাংশ এলাকা ঘুরে দেখা গেছে বাড়ির আঙ্গিনায় এবং বাণিজ্যিক উদ্দ্যেশ্যে পরিকল্পিতভাবে সৃজন করা হয়েছে জাতীয় ফল কাঁঠাল বাগান। এক একটি গাছে ৩০-১০০টির মতো কাঁঠাল রয়েছে। কাঁঠাল গাছগুলো যেনো এক প্রকার প্রকৃতির রুপ দিয়ে সাজানো হয়েছে।বৃষ্টির কারণে ফল বড় হতে না পারলেও এখন পর্যন্ত গাছে কাঁঠালের যে অবস্থা দেখা যাচ্ছে তাতে কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ না ঘটলে ফলন ভাল হবে বলে মনে করছেন বাগান মালিকরা।যদিও এখনও পাঁকা কাঁঠাল বাজারে আসতে শুরু করেনি তারপরও এক মাস পরেই লোভনীয় কাঁঠাল ফলের গন্ধে মুখরিত হয়ে উঠবে স্থানীয় হাট-বাজার গুলো।এ ব্যাপারে স্হানীয় কাঁঠাল ব্যবসায়ী জুয়েল মিয়া জানান,বৃষ্টির অনুপস্থিতিতে বিগত বছরের তুলনায় গাছে কাঁঠাল কম ধরেছে।প্রতিটি গাছে গড়ে ৩০-৯০ টি কাঁঠাল ধরেছে।কাঁঠালগুলো পাকতে আরো মাসেক-দেড়েক লাগবে।প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে কাঁঠালগুলো বেশ ভালো দামেই বিক্রি করতে পারব বলে জানিয়েছেন তিনি।এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এনামুল হক বলেন,জাতীয় ফল কাঁঠাল উৎপাদনে খরচ খুবই কম। নির্ধারিত সময় গাছের পরিচর্চা যেমন-আগাছা পরিস্কার,গাছের নিচে উর্বর মাটি দেওয়া,এবং ফল আসার পর একটু দেখাশুনা করলেই চলে।তাছাড়া উপজেলা কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে চাষিদেরকে সার্বিকভাবে পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি।