হবিগঞ্জ ১০:৫৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ‘নির্বাচনী নিরাপত্তায় বিজিবি সর্বাত্মক প্রস্তুত’ Logo হবিগঞ্জকে দুর্নীতিমুক্ত ও সন্ত্রাসমুক্ত করতে দাঁড়িপাল্লাকে বিজয়ী করতে হবে-অধ্যক্ষ কাজী মহসিন Logo আমাদের একটাই উদ্দেশ্য, যাতে আসন্ন নির্বাচন অবাধ সুষ্ঠু হয় : অতিরিক্ত মহাপরিচালক মামুনূর রশীদ Logo আওয়ামী লীগের সব সাধারণ কর্মী কোন অপরাধী নন: সৈয়দ মো: ফয়সল Logo চুনারুঘাটে সংবাদ প্রকাশ করায় সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার বুলিং Logo চুনারুঘাটে ধানের শীষ প্রতীকের নির্বাচনী অফিস উদ্বোধন Logo চুনারুঘাটে চাটপাড়া রাইজিংসান একাডেমিতে নতুন বই বিতরণ Logo নবীগঞ্জে ৮৫ জন শিক্ষার্থীর ভর্তি–খরচ বহন করল মাওলানা মনোহর আলী শিক্ষা ও সেবা ফাউন্ডেশন Logo চুনারুঘাটে মসজিদের জমি গণহারে বিক্রির অভিযোগ Logo অবিলম্বে দৈনিক হবিগঞ্জের মুখ পত্রিকা বন্ধ ও সম্পাদক হারুন চৌধুরীকে গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতৃবৃন্দ
চুনারুঘাট-মাধবপুকে একটি পর্যটন নগরী বানাতে চাই।

১ সপ্তাহে পরিত্যক্ত একটি যাত্রী ছাউনিকে পর্যটনকেন্দ্রে রূপান্তরিত করলেন ব্যারিস্টার সুমন

মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যে দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত থাকা চুনারুঘাটের চা-বাগান এলাকার একটি যাত্রী ছাউনিকে পর্যটনকেন্দ্রে রূপান্তরিত করেছেন ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন এমপি। এখন প্রতিদিনই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা পর্যটকরা যাত্রী ছাউনির সামনে দাঁড়িয়ে ছবি তুলে।

গত শনিবার নির্মাণ কাজ শেষে এটি উদ্বোধন করেছেন তিনি। এর পর থেকেই পর্যটকরা ছবি তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় জানান দিচ্ছেন। হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার সাতছড়ি সড়কের রামগঙ্গা চা বাগান মোড়ে এখন মানুষের ভিড় জমে উঠেছে।

জানা গেছে, ঢাকা সিলেট পুরাতন মহাসড়কের যান চলাচলের সময় দীর্ঘদিন আগে উপজেলার চা বাগান অধ্যুষিত রামগঙ্গা ব্রিজ মোড়ে স্থানীয় সরকারি বিভাগ একটি যাত্রী ছাউনি নির্মাণ করে।

বর্তমানে এ সড়কে দূরপাল্লার যান চলাচল না করলেও চুনারুঘাট মাধবপুরের লোকজন এবং সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান ও চা বাগানকে ঘিরে পর্যটকদের চলাচল বেড়েছে।

রামগঙ্গা মোড়ে দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত হয়ে পড়ে থাকা যাত্রী ছাউনিটি সম্প্রতি নজরে আসে সংসদ সদস্য ব্যরিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনের। তিনি লাইভে এসে ঘোষণা দেন এটিকে পর্যটনকেন্দ্রে রূপান্তরের। ঘোষণার পর দিনই শুরু হয় কাজ।

আর্কিটেক্ট দ্বারা পরিকল্পনা করে মাত্র এক সপ্তাহে নির্মাণকাজ শেষ হয়। চারুকলার শিক্ষার্থীদের দিয়ে আঁকা হয় চা শ্রমিকদের জীবনচিত্র। চা পাতা চয়ন এবং তাদের জীবনচিত্র আঁকা শেষ হলে শনিবার তিনি এটি উদ্বোধন করেন।

ব্যারিস্টার সুমন বলেন, চুনারুঘাট ও মাধবপুরকে পর্যটনের নগরীতে পরিণত করতে আমি কাজ করছি। পরিত্যক্ত এ যাত্রী ছাউনিটি আমার নজরে আসার পর মনে হলো এখানে অনেক পর্যটক আসে।

এটা খারাপ দেখা যায়, তাই আমি সিদ্ধান্ত নিই প্রথমেই চুনারুঘাট থেকে মাধবপুর পর্যন্ত যাত্রী ছাউনিগুলোকে পর্যটনের উপযুক্ত করে তুলব। সেই হিসেবে এটিকে আর্কিটেক্ট দ্বারা পরিকল্পনা করে আমার নিজ অর্থায়নে প্রায় ৪ লাখ টাকা ব্যয় করে এটি নির্মাণ করেছি।

আপলোডকারীর তথ্য

খন্দকার আলাউদ্দিন

হ্যালো, আমি খন্দকার আলাউদ্দিন, আপনাদের চার পাশের সংবাদ দিয়ে আমাদের সহযোগিতা করুন।

‘নির্বাচনী নিরাপত্তায় বিজিবি সর্বাত্মক প্রস্তুত’

চুনারুঘাট-মাধবপুকে একটি পর্যটন নগরী বানাতে চাই।

১ সপ্তাহে পরিত্যক্ত একটি যাত্রী ছাউনিকে পর্যটনকেন্দ্রে রূপান্তরিত করলেন ব্যারিস্টার সুমন

আপডেট সময় ১১:১৮:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ মার্চ ২০২৪

মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যে দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত থাকা চুনারুঘাটের চা-বাগান এলাকার একটি যাত্রী ছাউনিকে পর্যটনকেন্দ্রে রূপান্তরিত করেছেন ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন এমপি। এখন প্রতিদিনই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা পর্যটকরা যাত্রী ছাউনির সামনে দাঁড়িয়ে ছবি তুলে।

গত শনিবার নির্মাণ কাজ শেষে এটি উদ্বোধন করেছেন তিনি। এর পর থেকেই পর্যটকরা ছবি তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় জানান দিচ্ছেন। হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার সাতছড়ি সড়কের রামগঙ্গা চা বাগান মোড়ে এখন মানুষের ভিড় জমে উঠেছে।

জানা গেছে, ঢাকা সিলেট পুরাতন মহাসড়কের যান চলাচলের সময় দীর্ঘদিন আগে উপজেলার চা বাগান অধ্যুষিত রামগঙ্গা ব্রিজ মোড়ে স্থানীয় সরকারি বিভাগ একটি যাত্রী ছাউনি নির্মাণ করে।

বর্তমানে এ সড়কে দূরপাল্লার যান চলাচল না করলেও চুনারুঘাট মাধবপুরের লোকজন এবং সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান ও চা বাগানকে ঘিরে পর্যটকদের চলাচল বেড়েছে।

রামগঙ্গা মোড়ে দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত হয়ে পড়ে থাকা যাত্রী ছাউনিটি সম্প্রতি নজরে আসে সংসদ সদস্য ব্যরিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনের। তিনি লাইভে এসে ঘোষণা দেন এটিকে পর্যটনকেন্দ্রে রূপান্তরের। ঘোষণার পর দিনই শুরু হয় কাজ।

আর্কিটেক্ট দ্বারা পরিকল্পনা করে মাত্র এক সপ্তাহে নির্মাণকাজ শেষ হয়। চারুকলার শিক্ষার্থীদের দিয়ে আঁকা হয় চা শ্রমিকদের জীবনচিত্র। চা পাতা চয়ন এবং তাদের জীবনচিত্র আঁকা শেষ হলে শনিবার তিনি এটি উদ্বোধন করেন।

ব্যারিস্টার সুমন বলেন, চুনারুঘাট ও মাধবপুরকে পর্যটনের নগরীতে পরিণত করতে আমি কাজ করছি। পরিত্যক্ত এ যাত্রী ছাউনিটি আমার নজরে আসার পর মনে হলো এখানে অনেক পর্যটক আসে।

এটা খারাপ দেখা যায়, তাই আমি সিদ্ধান্ত নিই প্রথমেই চুনারুঘাট থেকে মাধবপুর পর্যন্ত যাত্রী ছাউনিগুলোকে পর্যটনের উপযুক্ত করে তুলব। সেই হিসেবে এটিকে আর্কিটেক্ট দ্বারা পরিকল্পনা করে আমার নিজ অর্থায়নে প্রায় ৪ লাখ টাকা ব্যয় করে এটি নির্মাণ করেছি।