হবিগঞ্জ ০৩:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo আমি পোশাক লাগিয়েছি ঘুষের টাকা দিয়ে, ঘুষ খাওয়ার জন্যই-এএসআই ইলিয়াছ Logo সৌদিতে নির্যাতনের শিকার গৃহবধূ রেহেনার দেশে ফেরার আকুতি Logo চুনারুঘাটে সাহিত্য-সংস্কৃতির উন্নয়নে সরকারের সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস Logo চুনারুঘাটে মুক্তিযোদ্ধা নুরুল হকের ঘরবাড়ি ও জমি দখলের অভিযোগ Logo চুনারুঘাট সাহিত্য-সংস্কৃতি পরিষদের ৩৭তম বর্ষ উদযাপন Logo পাখি শিকারি সেই বদু মিয়ার বাড়িতে বন বিভাগ: ৩ বছর ধরে স্বামী স্ত্রীর অভিমান অবসান ! Logo মাধবপুরে শাহজাহানপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে নতুন চারতলা ভবনের নির্মাণকাজ উদ্বোধন Logo চার বছর ধরে বেতন-ভাতা বঞ্চিত চৌমুহনী খুর্শিদ হাইস্কুল-কলেজের ৩২ শিক্ষক-কর্মচারী Logo চুনারুঘাটে মোটরসাইকেল-টমটম সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত ১ Logo চুনারুঘাটে ‘ইয়াবা নাটক’ সাজিয়ে গ্রেপ্তারের অভিযোগ ২ পুলিশ ক্লোজ

আমি জীবনে কোন অন্যায় কাজ করিনি, কাউকে করতে দিবো না-এমপি ব্যারিস্টার সুমন

হবিগঞ্জ ৪ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন বলেন, আমি জীবনে কোনদিন অন্যায়মূলক কাজ করিনি,কাউকে অন্যায়মূলক কাজ করতে দেবো না।

তিনি বলেন ৩- মাসের মধ্যে মাধবপুর উপজেলা হাসপাতালকে নতুন রূপে দেখতে চাই। কোন সেবা গ্রহীতার অভিযোগ শুনতে চাইনা।

আজ শনিবার (২০ জানুয়ারি) দুপুরে মাধবপুর উপজেলা পরিষদ কনফারেন্স রুমে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, আমার ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের কোন লোক নেই। আমার কোন লোক থানায় গিয়ে তদবির করবে না। আমি হয়ত মাঝে মধ্যে থানায় গিয়ে খোঁজ নিতে পারি আমার উপজেলা কেমন আছে। আমি গাড়ি নয়, আমি পায়ে হেটে বাড়ি বাড়ি গিয়ে মানুষের খোঁজ নিবো। প্রতিটি পাড়া মহল্লা আমার পরিচিত।

সুমন বলেন, আমি সংসদ সদস্য থাকাকালীন সময়ে আমার অর্ধেক সময় চলে যাবে সচিবালয়ে শুধু তদবির করতে। কারণ আমি জনগণকে কথা দিয়েছি আমি উন্নয়ন করব, আমি পবিবর্তন করব। দুইজন মন্ত্রী থাকার পরও যে কাজগুলো হয় নাই আমি সেই কাজগুলো করতে চাই

মাদক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ধর্মঘর ইউনিয়নে নাকি মাদকের কারবার বেশি চলে। আজকের পর থেকে আমি আর একথা শুনতে চাই না।

এ সময় তিনি কৃষি বিভাগকে উদ্দেশ্য করে বলেন, পরিপত্র ছাড়া কোন ধরণের কাঠের গাছ লাগানো যাবে না। লাগানো মানে হচ্ছে একটা হরিলুট। দুই তিন বছর পরে কাটা হয়, এরপর এগুলা শেষ হয়ে যায়। এখন থেকে সরকারি পরিপত্রের পরে শুধু ফলের গাছ লাগাবেন। যাতে করে ভবিষ্যতে প্রতিটি মানুষের জন্য কাজে লাগে।
মতবিনিময় সভায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ.কে এম ফয়সাল এর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন মাধবপুর উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দ মোঃ শাহজান,সহকারী কমিশনার (ভূমি)রাহাত বিন কুতুব, পৌর মেয়র হাবিবুর রহমান মানিক,সাবেক মেয়র শাহ মোঃ মুসলিম,মাওলান এম জাকিউর রহমান সমাজসেবক মোঃ বরকত আলী,
ইউ/পি চেয়ারম্যানবৃন্দ, বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাগণ এবং সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

খন্দকার আলাউদ্দিন

আপনাদের চারপাশে ঘটে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, অনিয়ম, দুর্নীতি, অপরাধ, জনদুর্ভোগ, উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ও সম্ভাবনার সংবাদ আমাদের জানান।

আমি পোশাক লাগিয়েছি ঘুষের টাকা দিয়ে, ঘুষ খাওয়ার জন্যই-এএসআই ইলিয়াছ

আমি জীবনে কোন অন্যায় কাজ করিনি, কাউকে করতে দিবো না-এমপি ব্যারিস্টার সুমন

আপডেট সময় ০৪:৫১:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৪

হবিগঞ্জ ৪ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন বলেন, আমি জীবনে কোনদিন অন্যায়মূলক কাজ করিনি,কাউকে অন্যায়মূলক কাজ করতে দেবো না।

তিনি বলেন ৩- মাসের মধ্যে মাধবপুর উপজেলা হাসপাতালকে নতুন রূপে দেখতে চাই। কোন সেবা গ্রহীতার অভিযোগ শুনতে চাইনা।

আজ শনিবার (২০ জানুয়ারি) দুপুরে মাধবপুর উপজেলা পরিষদ কনফারেন্স রুমে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, আমার ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের কোন লোক নেই। আমার কোন লোক থানায় গিয়ে তদবির করবে না। আমি হয়ত মাঝে মধ্যে থানায় গিয়ে খোঁজ নিতে পারি আমার উপজেলা কেমন আছে। আমি গাড়ি নয়, আমি পায়ে হেটে বাড়ি বাড়ি গিয়ে মানুষের খোঁজ নিবো। প্রতিটি পাড়া মহল্লা আমার পরিচিত।

সুমন বলেন, আমি সংসদ সদস্য থাকাকালীন সময়ে আমার অর্ধেক সময় চলে যাবে সচিবালয়ে শুধু তদবির করতে। কারণ আমি জনগণকে কথা দিয়েছি আমি উন্নয়ন করব, আমি পবিবর্তন করব। দুইজন মন্ত্রী থাকার পরও যে কাজগুলো হয় নাই আমি সেই কাজগুলো করতে চাই

মাদক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ধর্মঘর ইউনিয়নে নাকি মাদকের কারবার বেশি চলে। আজকের পর থেকে আমি আর একথা শুনতে চাই না।

এ সময় তিনি কৃষি বিভাগকে উদ্দেশ্য করে বলেন, পরিপত্র ছাড়া কোন ধরণের কাঠের গাছ লাগানো যাবে না। লাগানো মানে হচ্ছে একটা হরিলুট। দুই তিন বছর পরে কাটা হয়, এরপর এগুলা শেষ হয়ে যায়। এখন থেকে সরকারি পরিপত্রের পরে শুধু ফলের গাছ লাগাবেন। যাতে করে ভবিষ্যতে প্রতিটি মানুষের জন্য কাজে লাগে।
মতবিনিময় সভায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ.কে এম ফয়সাল এর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন মাধবপুর উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দ মোঃ শাহজান,সহকারী কমিশনার (ভূমি)রাহাত বিন কুতুব, পৌর মেয়র হাবিবুর রহমান মানিক,সাবেক মেয়র শাহ মোঃ মুসলিম,মাওলান এম জাকিউর রহমান সমাজসেবক মোঃ বরকত আলী,
ইউ/পি চেয়ারম্যানবৃন্দ, বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাগণ এবং সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ।