হবিগঞ্জ ০৪:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ‘অবিচল বিশ্বাসের ৫০ বছর’ উদযাপনে হবিগঞ্জে র‍্যালি ও গ্রাহক সম্মেলন Logo চুনারুঘাট থানায় ১২ দিনে প্রত্যাহার ৪ পুলিশ সদস্য Logo তরুণ আলোকচিত্রী মারুফের ‘বোটানিক্যাল সাইলেন্স’, প্রকৃতির সৌন্দর্যে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি Logo লন্ডনে গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকের জাতীয় সম্মেলন সফল করার আহ্বান Logo চুনারুঘাটে ঘুষের ভিডিও ভাইরাল, এএসআই অতনু প্রত্যাহার Logo চুনারুঘাটে হাসপাতালে রোগীর মৃত্যুর ঘটনায় জনমনে ক্ষোভ, তদন্ত কমিটি গঠন Logo চুনারুঘাটে চিকিৎসা অবহেলায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ: হাসপাতাল পরিদর্শনে জামায়াত নেতারা Logo আমি পোশাক লাগিয়েছি ঘুষের টাকা দিয়ে, ঘুষ খাওয়ার জন্যই-এএসআই ইলিয়াছ Logo সৌদিতে নির্যাতনের শিকার গৃহবধূ রেহেনার দেশে ফেরার আকুতি Logo চুনারুঘাটে সাহিত্য-সংস্কৃতির উন্নয়নে সরকারের সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস

সৌদি আরবে ইয়েমেনের সহকর্মীর হাতে নবীগঞ্জের যুবক খুন

বাংলাদেশি যুবক তুহিন আহমেদ (২১) সৌদি আরবের একটি খাবারের দোকানে চাকরি করেন।  শুক্রবার (৪মার্চ) তার সহকর্মীর হাতেই সে খুন হন। শুক্রবার বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ১২টার দিকে সহকর্মী ইয়েমেনের এক যুবকের হাতে খুন হন তুহিন।

তুহিন হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের রমজানপুর গ্রামের মৃত তারেক উদ্দিনের ছেলে।

তুহিন আহমেদের পরিবারের বরাত দিয়ে ইউপি সদস্য রাসেল আহমেদ জানান, ৭/৮ বছর আগে তুহিনের বাবা মারা যান। বাবা মারা যাওয়ার পর দুই ছেলেকে নিয়ে বিপাকে পরেন তুহিনের মা। এক পর্যায়ে জীবিকার তাগিদে তিনি সৌদিআরব পাড়ি জমান।

বছর দেড়েক আগে তিনি বড় ছেলে তুহিনকেও সৌদিআরব নিয়ে যান। সেখানে তুহিন একটি খাবারের দোকানে কর্মচারি হিসেবে চাকরি নেন।

ওই দোকানে আরও তিনজন কর্মচারি রয়েছেন। সততা ও কাজের প্রতি আন্তরিকতার কারণে তুহিনকে তার মালিক খুব ভালোবাসতেন। গুরুত্বপূর্ণ কাজের ক্ষেত্রে তুহিনের প্রতি আস্তা রাখতেন তিনি। এ কারণে অন্য তিন কর্মচারি তুহিনকে হিংসে করতে শুরু করেন।

শুক্রবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে চারজন একসাথে খেতে বসেন। এ সময় তুচ্ছ একটি বিষয় নিয়ে তার সহকর্মী ইয়েমেনের এক যুবকের সাথে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে ওই যুবক তুহিন আহমেদের নাকে ও বুকে ঘুষি মারে। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনার পর সৌদি পুলিশ ইয়েমেনের যুবককে গ্রেপ্তার করেছে।

ইনাতগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. নোমান আহমেদ বলেন, ‘সকালে আমি নিহতের বাড়িতে গিয়েছিলাম। সেকানে তার ছোটভাই আর চাচারা রয়েছেন।

তারা জানিয়েছেন তুহিনের মরদেহ দেশে আনা হবে কি না সেটা তার মা সিদ্ধান্ত নেবেন। যদি দেশে আনতে চান তাহলে ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।

নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ মহিউদ্দিন বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে যেহেতু এখন জেনেছি অবশ্যই খোঁজ নেয়া হবে ।

তিনি বলেন, ‘পরিবারের সদস্যরা যদি লাশ দেশে আনতে চায় তাহলে আমাদের পক্ষ থেকে সব ধরণের সহযোগিতা করা হবে।’

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

খন্দকার আলাউদ্দিন

আপনাদের চারপাশে ঘটে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, অনিয়ম, দুর্নীতি, অপরাধ, জনদুর্ভোগ, উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ও সম্ভাবনার সংবাদ আমাদের জানান।
জনপ্রিয় সংবাদ

‘অবিচল বিশ্বাসের ৫০ বছর’ উদযাপনে হবিগঞ্জে র‍্যালি ও গ্রাহক সম্মেলন

সৌদি আরবে ইয়েমেনের সহকর্মীর হাতে নবীগঞ্জের যুবক খুন

আপডেট সময় ১২:৫৬:২৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৭ মার্চ ২০২২

বাংলাদেশি যুবক তুহিন আহমেদ (২১) সৌদি আরবের একটি খাবারের দোকানে চাকরি করেন।  শুক্রবার (৪মার্চ) তার সহকর্মীর হাতেই সে খুন হন। শুক্রবার বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ১২টার দিকে সহকর্মী ইয়েমেনের এক যুবকের হাতে খুন হন তুহিন।

তুহিন হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের রমজানপুর গ্রামের মৃত তারেক উদ্দিনের ছেলে।

তুহিন আহমেদের পরিবারের বরাত দিয়ে ইউপি সদস্য রাসেল আহমেদ জানান, ৭/৮ বছর আগে তুহিনের বাবা মারা যান। বাবা মারা যাওয়ার পর দুই ছেলেকে নিয়ে বিপাকে পরেন তুহিনের মা। এক পর্যায়ে জীবিকার তাগিদে তিনি সৌদিআরব পাড়ি জমান।

বছর দেড়েক আগে তিনি বড় ছেলে তুহিনকেও সৌদিআরব নিয়ে যান। সেখানে তুহিন একটি খাবারের দোকানে কর্মচারি হিসেবে চাকরি নেন।

ওই দোকানে আরও তিনজন কর্মচারি রয়েছেন। সততা ও কাজের প্রতি আন্তরিকতার কারণে তুহিনকে তার মালিক খুব ভালোবাসতেন। গুরুত্বপূর্ণ কাজের ক্ষেত্রে তুহিনের প্রতি আস্তা রাখতেন তিনি। এ কারণে অন্য তিন কর্মচারি তুহিনকে হিংসে করতে শুরু করেন।

শুক্রবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে চারজন একসাথে খেতে বসেন। এ সময় তুচ্ছ একটি বিষয় নিয়ে তার সহকর্মী ইয়েমেনের এক যুবকের সাথে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে ওই যুবক তুহিন আহমেদের নাকে ও বুকে ঘুষি মারে। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনার পর সৌদি পুলিশ ইয়েমেনের যুবককে গ্রেপ্তার করেছে।

ইনাতগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. নোমান আহমেদ বলেন, ‘সকালে আমি নিহতের বাড়িতে গিয়েছিলাম। সেকানে তার ছোটভাই আর চাচারা রয়েছেন।

তারা জানিয়েছেন তুহিনের মরদেহ দেশে আনা হবে কি না সেটা তার মা সিদ্ধান্ত নেবেন। যদি দেশে আনতে চান তাহলে ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।

নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ মহিউদ্দিন বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে যেহেতু এখন জেনেছি অবশ্যই খোঁজ নেয়া হবে ।

তিনি বলেন, ‘পরিবারের সদস্যরা যদি লাশ দেশে আনতে চায় তাহলে আমাদের পক্ষ থেকে সব ধরণের সহযোগিতা করা হবে।’